এরই মধ্যে কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকে সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে ঘিরে রাখার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এই নিয়ে সমস্ত ঘটনা সামাল দিতে বিভিন্ন ঘটনাস্থলে হাজির হন অতিরিক্ত জেলা শাসক শেখ আনসার আহমেদ। অভিযোগ, সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন তিনি। জেলা প্রশাসনের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১ এপ্রিল মালদহের কালিয়াচকে এসআইআর-কে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সময় দায়িত্ব পালনে গুরুতর ত্রুটি ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে রিপোর্ট না করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে তাঁকে বিশেষভাবে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়। সকাল থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা এবং পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার নির্দেশ ছিল। পাশাপাশি বিকেল ৩:৩০টে থেকে ৪টের মধ্যে কালিয়াচকে উপস্থিত থেকে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়মিত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
অভিযোগ, তিনি মাঠে উপস্থিত থাকলেও বিকেল ৩:৩০টা থেকে রাত ৮:৩০টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেননি। ফলে প্রশাসন সময়মত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেনি, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
প্রশাসনের মতে, এই আচরণ অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (কন্ডাক্ট) রুলস, ১৯৬৮-এর পরিপন্থী এবং একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের পক্ষে অনভিপ্রেত।
তবে এই শোকজ নিয়ে সময় দেওয়া হয়েছে শোকজ হওয়া অতিরিক্ত জেলাশাসককে। এই প্রসঙ্গে সাফাই নিয়ে আগামী ৭ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে সন্তোষজনক উত্তর না পেলে বিষয়টি স্বীকারোক্তি হিসেবে ধরে নিয়ে একতরফাভাবে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।






