পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে ফিল্মি কায়দায় সেই রিভলভার আঙুলে ঘোরানোর পাশাপাশি হাতবদলও করে তারা। টার্গেট ফিক্সড এমন ইঙ্গিতও দেয় আঙুল উঁচিয়ে। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে ছাত্রদের এই কাণ্ড দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্য পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। মুহূর্তে এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়। খবর যায় স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা এসে তাদের পাকড়াও করে। পরে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তাদের তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ বন্দুকটি নিয়ে যায় এবং ওই ছাত্ররা তারপর পরীক্ষা দেয়।
advertisement
ওই রিভলভার আসলে খেলনা বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। বর্ধমানের উদয়পল্লী শিক্ষা নিকেতন হাই স্কুলের ঘটনা। এক অভিভাবক বলেন, ”একজন রিভলবার নিয়ে আসে, আসল নাকি নকল আমরা কিছুই জানি না। কথাটা শুনে আমাদের টেনশন শুরু হয়। শুনলাম রামকৃষ্ণ স্কুলের একটা ছেলে ওই বন্দুক নিয়ে এসেছে। আমার ছেলেও পরীক্ষা দিতে এসেছিল, ভয়ের তো কারণ আছেই। গেটে চেক করে ঢোকানোর সময় ধরা পড়েছে। আমরা তো আতঙ্কে আছি।”
পূর্ব বর্ধমান জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার অমিত কুমার ঘোষ বলেন, ”আমি প্রতিদিনের মতোই সেন্টার ভিজিটে বেরিয়েছিলাম। ঘটনাটি শোনার পর ভেনু সুপারভাইজারকে ফোন করেছিলাম। আমি যে রিপোর্ট পেয়েছি তা হল, এক ছাত্র ব্যাগে করে খেলনা বন্দুক নিয়ে এসেছিল আজকে এবং গত দুদিন ধরে সে সেটি নিয়ে আসছিল। যেহেতু স্কুলের ভিতরে এন্ট্রি নেই, তাই বাইরে রাখতে হয়। এই ঘটনাটি তার বন্ধু-বান্ধবরা জানত। শেষ পরীক্ষার দিন বন্ধুবান্ধবরা ঘটনাটি বলে দেয়। তার বন্দুকটি ব্যাগ থেকে সঙ্গে সঙ্গে বার করে বাজেয়াপ্ত করে রেখে দেওয়া হয় এবং থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে পর্যবেক্ষণ করে দেখে, সেটি একটি খেলনা বন্দুক। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে আমরা রিপোর্ট পেয়েছি, ঘটনাটি স্কুলের বাইরে ঘটেছে।”





