গলসির সাঁকো সিএস স্কুলের এক পড়ুয়া মোবাইল সহ ধরা পড়েছে গলসির কালীমতি দেবী স্কুলে। আজ উচালন হাই স্কুলে সেহারাবাজার সি কে স্কুলের এক পরীক্ষার্থী একই কায়দা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। এছাড়া কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়ে কাটোয়া কেডি ইনস্টিটিউটের এক পরীক্ষার্থী ধরা পড়েছে। ওই তিন পরীক্ষার্থী লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছিল।
advertisement
এদের মধ্যে গলসীর ছাত্রটি প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনে স্ক্যান করে এআই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহ করে তা লেখার কাজ চালাচ্ছিল। পরীক্ষকরা তাঁর এই কীর্তিকলাপ ধরে ফেলে। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী তাঁর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, অন্য দুই ছাত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে ঢুকে মোবাইল ব্যবহার করে উত্তর লেখায় তাদের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেজন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর তল্লাশি নেওয়া হচ্ছে। তা সত্ত্বেও নজরদারির ফাঁক ফোকর খুঁজে নিয়ে পরীক্ষার্থীদের একটা অংশ মোবাইল ফোন নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা জেলা কনভেনার অমিত কুমার ঘোষ জানান, মূলত জুতোর ভেতরে, মোজার ভেতরে কিংবা পায়ের সঙ্গে সেলোটেপ আটকে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকেছিল ওই তিন পরীক্ষার্থী। ঢোকার সময় সেই মোবাইল ফোন সুইচড অফ করে রাখা ছিল।
এরপর তা সময় মতো অন করে নেওয়া হয় এবং সাইলেন্ট মোডে রাখা হয়। কোনও ফোন এসে গেলে যাতে কেউ বুঝতে না পারে সে কারণেই এই সাইলেন্ট মোডের ব্যবস্থা। এরপর এ আই অ্যাপ ব্যবহার গলসীর ছাত্রটি প্রশ্নপত্র স্ক্যান করে উত্তর তৈরি করে নিয়ে তা লেখার কাজ চালাচ্ছিল। সেই সময় পরীক্ষকরা কারসাজি ধরে ফেলে। পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে গিয়ে ব্যবাহার করায় বাকী দুই পরীক্ষার্থীরও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।






