Lice: মাথায় উকুন ছোট্ট মেয়ের, সেখান থেকেই মৃত্যু! ভাবতে পারছেন! কী ভয়াবহ ঘটনা পুরীতে! যা ঘটল, শুনে আঁতকে উঠবেন
- Published by:Suman Biswas
- news18 bangla
Last Updated:
Lice: লক্ষ্মীপ্রিয়ার মা সত্যভামা জানান, গত কয়েক মাস ধরে তার মেয়ে উকুনের সমস্যায় মারাত্মকভাবে ভুগছিল।
advertisement
জানা গিয়েছে, ওড়িশার চম্পাগড়া এলাকারই স্থানীয় স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী লক্ষ্মীপ্রিয়া। বেশ কয়েক মাস ধরেই সে উকুনের আক্রমণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। ঘরোয়া টোটকা, তেল, শ্যাম্পু কোনও কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হয়নি। কিশোরীর অভিভাবকরাও বিষয়টিকে ততটা গুরুত্ব দেননি। কিন্তু দিন কয়েক আগে হঠাৎই লক্ষ্মীপ্রিয়া রক্তবমি করতে শুরু করে।
advertisement
লক্ষ্মীপ্রিয়ার মা সত্যভামা জানান, গত কয়েক মাস ধরে তার মেয়ে উকুনের সমস্যায় মারাত্মকভাবে ভুগছিল। মাথায় অসহ্য দুর্গন্ধ হওয়ায় সে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল এবং সবসময় মাথা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখত। অবস্থার অবনতি হলে সে রক্তবমি করতে শুরু করে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
advertisement
তৎক্ষণাৎ কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শুরু হলেও তাতে লাভ কিছু হয়নি। লক্ষ্মীপ্রিয়ার মা সত্যভামা জানান, স্কুলে যাওয়ার সময়ে সে মাথায় স্কার্ফ বেঁধে রাখতো। কিন্তু বেশ কিছু ধরে মাথা থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে। তিনি বলেন, ‘বাধ্য হয়ে আমি মেয়েকে ন্যাড়া করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ও কিছুতেই রাজি হয়নি।’
advertisement
যদিও পুরীর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক অক্ষয় শথপতি জানান, উকুনের জন্য স্ক্যাল্পে মারাত্মক সংক্রমণ এবং সেখান থেকে সেপটিসেমিয়ার কারণেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। গোটা বিষয়টি এখনও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। কলকাতার চর্মরোগ চিকিৎসক সুরজিৎ গরাই জানান, উকুন মারতে ‘কামান দাগা’ অর্থাৎ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা চট করে কারও মাথায় আসে না। সমস্যার শুরু সেখানেই। ‘উকুন মাথার ত্বক থেকে রক্ত শোষণ করে। যে কারণে সারাক্ষণ চুলকাতে থাকে।
advertisement
ঘন ঘন নখ লেগে মাথার ত্বকে কী পরিমাণ ক্ষত হতে পারে, তা খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়। সেই ক্ষত থেকেই পরবর্তী কালে সংক্রমণ এবং সেখান থেকে সেপটিসেমিয়া। এই সংক্রমণ প্রাণঘাতী তো বটেই।’ যদিও পুরীর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক অক্ষয় শথপতি জানান, উকুনের জন্য স্ক্যাল্পে মারাত্মক সংক্রমণ এবং সেখান থেকে সেপটিসেমিয়ার কারণেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। গোটা বিষয়টি এখনও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে।
advertisement
কলকাতার চর্মরোগ চিকিৎসক সুরজিৎ গরাই জানান, উকুন মারতে ‘কামান দাগা’ অর্থাৎ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা চট করে কারও মাথায় আসে না। সমস্যার শুরু সেখানেই। ‘উকুন মাথার ত্বক থেকে রক্ত শোষণ করে। যে কারণে সারাক্ষণ চুলকাতে থাকে। ঘন ঘন নখ লেগে মাথার ত্বকে কী পরিমাণ ক্ষত হতে পারে, তা খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়। সেই ক্ষত থেকেই পরবর্তী কালে সংক্রমণ এবং সেখান থেকে সেপটিসেমিয়া। এই সংক্রমণ প্রাণঘাতী তো বটেই।’
advertisement









