ভারতে প্রথমবারের মতো ‘লাইটহাউস অন দ্য এয়ার’ উদ্যোগ সফলভাবে চালু করে নজর কেড়েছে হ্যাম রেডিও। ভারত সরকারের নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ‘রেডিও অ্যামেচারস ফ্রান্স’-এর নির্ধারিত ‘লাইটহাউস অন এয়ার’-এর প্রয়োজনীয় সব মানদণ্ড পূরণ করছে।
advertisement
ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অ্যামেচার রেডিও অপারেটরদের হাত ধরেই ‘লাইটহাউস অন এয়ার’-এর ধারণার সূচনা হয়। মূলত সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন দেশের লাইটশিপগুলিকে রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের ৬ দিনের মাথায় মুছে গেল সিঁদুর! আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি দুই ভাইয়ের
এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলার অ্যামেচার রেডিও অপারেটররা লাইটহাউস ও লাইটশিপস-এর ডিরেক্টরেট জেনারেলের কাছে আবেদন করেন। কর্তৃপক্ষ বাতিঘরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনও বিঘ্ন না ঘটিয়ে যন্ত্রপাতি স্থাপন ও রেডিও সম্প্রচার চালানোর অনুমতি দেয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
‘লাইটহাউস অন এয়ার’ কর্মসূচির মাধ্যমে হ্যাম রেডিও সম্পর্কে যেমন মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বেড়েছে, তেমনই উপগ্রহ-নির্ভর ন্যাভিগেশনের যুগে ধীরে ধীরে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়তে থাকা লাইটহাউসগুলির গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে।
গঙ্গাসাগরের এই বাতিঘরটির উচ্চতা প্রায় ৮৫ ফুট। অতীতে এটি মূলত চিন, বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, মায়ানমার এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশ থেকে আগত জাহাজগুলিকে দিকনির্দেশনা দিত। ঐতিহাসিক দিক থেকেও এই বাতিঘর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৮২১ সালে ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের চ্যান্স ব্রাদার্স এই বাতিঘরটি নির্মাণ করে এবং পরে ১৯১১ সালে এটিকে বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে লাইট হাউসের এই নতুন কার্যক্রম শুরু করায় খুশি সকলেই।





