জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে বাগানের গেটে হঠাৎই ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’ নোটিশ ঝুলিয়ে ম্যানেজার বাগান ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় অনিশ্চয়তার দিন। কাজ বন্ধ থাকায় রোজগারহীন হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। ধীরে ধীরে ক্ষোভ বাড়তে থাকে—কখনও তা আছড়ে পড়ে মাল সমষ্টি আধিকারিকের কার্যালয়ে, কখনও মহকুমা শাসক কিংবা শ্রম আধিকারিকের দফতরে। একাধিক বৈঠক হলেও বাগান খোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি কর্তৃপক্ষ।
advertisement
২০ ফেব্রুয়ারি মাল মহকুমা শাসকের সঙ্গে বৈঠকে ছয় সদস্যের শ্রমিক প্রতিনিধি দল একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। ওই বৈঠকেই শ্রমিকদের আশ্বস্ত করেন উৎকর্ষ খান্ডাল। তাঁর উদ্যোগেই ২৪ ফেব্রুয়ারি দার্জিলিং জেলার দাগাপুর শ্রমিক ভবনে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বাগান পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সকালে রাজা চা বাগান-এর গেটে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের মধ্যে সৌজন্যমূলক বৈঠকের পর কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বাগানের রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সেই কাজ একসঙ্গে মিলেই সামাল দেবেন শ্রমিকরা—এমনটাই জানানো হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাগান খোলায় খুশির হাওয়া শ্রমিক মহলে। শ্রমিক নেতা বাবলু মাঝি বলেন, “এই এক মাস খুব কষ্টে কেটেছে। আজ কাজ শুরু হওয়ায় আমাদের পরিবারগুলো আবার বাঁচার ভরসা পেল।” মালবাজার-এর রাজা চা বাগান ফের চালু হওয়ায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন শ্রমিকরা—চা বাগানের চেনা ছন্দে ফিরছে তাদের নিত্য দিনের যাপন।





