মৃতার পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই জুলেখার উপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতেন তাঁর স্বামী। প্রায়দিনই তাকে মারধর করা হত বলে অভিযোগ। এই অত্যাচারের কথা একাধিকবার পরিবারের কাছে জানিয়েছিলেন জুলেখা, এমনই দাবি পরিবারের সদস্যদের।
ডিমে ঠাসা পেট, স্বাদেও অনন্য! ‘ইজরায়েলের মাছ’ পাওয়া যায় এখানেই, ভীষণ উপকারী! জানেন কোনটা?
advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইদের দিন রাতেই আচমকা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ফোন আসে জুলেখার বাপের বাড়িতে। ফোনে জানানো হয়, জুলেখার শরীর গুরুতর অসুস্থ। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় পরিবারের কাছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা।
বাড়ির ছাদের জলের ট্যাঙ্ক নোংরা হয়ে গিয়েছে? সহজ কয়েকটি ধাপে,১০ মিনিটে নিজেই সাফ করুন!
পরিবারের অভিযোগ, অসুস্থতা নয়, পরিকল্পিতভাবে পিটিয়েই খুন করা হয়েছে জুলেখাকে। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে দেগঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ এবং প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই গৃহবধূর উপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটছিল, কিন্তু তার কোনও সুরাহা হয়নি। ঘটনার পর অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন মৃতার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দেগঙ্গা থানার পুলিশ।
