পাশের গরুমারা জাতীয় উদ্যান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা হাতিটি আচমকাই বাংলোর চত্বরে প্রবেশ করে এবং বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাণ্ডব চালায়। রাতের নিস্তব্ধতায় আচমকা হাতির উপস্থিতিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাংলো সংলগ্ন এলাকায়। কর্মী ও আশপাশের বাসিন্দারা ভয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। সূত্রের খবর, রাতভর বাংলোর বিভিন্ন অংশে দাপিয়ে বেড়ায় হাতিটি।
advertisement
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দফতর-এর কর্মীরা। দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে ফের জঙ্গলের দিকে পাঠানো সম্ভব হয় যদিও বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি, তবে বাংলোর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে , রেলিং ভেঙেছে বলে বনদফতর সূত্রে জানা গেছে। সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের সামনে এসেছে হাতি–মানুষ সংঘাতের গুরুতর প্রশ্ন। পরিবেশপ্রেমী অনির্বাণ মজুমদার বলেন, ‘হাতির প্রাকৃতিক করিডর দখল করে একের পর এক রিসর্ট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠছে। চলাচলের স্বাভাবিক পথ হারিয়ে ফেলায় হাতিরা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।’ বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করছে—পর্যটন ও উন্নয়নের পাশাপাশি বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে আরও সংবেদনশীল হওয়া এখন সময়ের দাবি।





