ভোটের ঢাকে কাঠি পড়তেই ব্যস্ততা বাড়ে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন বাঁশ হাটে। নল বাঁশ, কঞ্চি থেকে বাতা…সবকিছুরই চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। বাজারে ৩০০ টাকা দরে বিকোচ্ছে বেত বাঁশের টুকরো। বিক্রেতাদের কথায় এখন চাহিদা তুঙ্গে। রাজনৈতিক মিছিল, দলীয় পতাকা টাঙানো কিংবা অস্থায়ী মঞ্চ তৈরিতে নল বাঁশ প্রায় অপরিহার্য। তাই নির্বাচন যত এগিয়ে আসে, ততই সরগরম হয়ে ওঠে বাঁশের বাজার।
advertisement
বিক্রেতা প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের কথায়, সাধারণ সময়ের তুলনায় ভোটের মরশুমে বিক্রি প্রায় দ্বি’গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। শুধু ব্যবহারিক দিকেই নয়, রাজনৈতিক কথোপকথনেও ‘বাঁশ’ শব্দটির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। নেতা-কর্মীদের কটাক্ষ, আড্ডা বা রাজনৈতিক রসিকতায় এই শব্দটি প্রায়ই শোনা যায়। তাই একদিকে যেমন রাজনৈতিক প্রচারে বাঁশ অপরিহার্য, অন্যদিকে রাজনৈতিক ভাষাতেও তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন নল বাঁশ হাটে এখন তাই বাড়তি ভিড় একটি বাঁশের দাম ১৪০-১৬০ টাকা করে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ভোটের আবহ শুরু হতেই বাইরের ক্রেতাদের আনাগোনাও বেড়েছে। অনেকেই একসঙ্গে বেশি পরিমাণে নল বাঁশ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারের কাজে ব্যবহারের জন্য। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ব্যবসায়ীদের মতে, গত কয়েক দিনের মধ্যে বাঁশের দাম আগের তুলনায় বেশ খানিকটা বেড়েছে। তবুও ভোটের মরশুমে চাহিদা এতটাই বেশি যে বাজারে সেই প্রভাব স্পষ্ট। রাজনৈতিক ময়দানে যখন তর্ক-বিতর্ক আর প্রচারের ঝড়, সেই আবহের নীরব সাক্ষী হয়ে জলপাইগুড়ির বাঁশ হাটগুলোতেও বইছে ব্যস্ততার হাওয়া। নির্বাচন যত ঘনাচ্ছে, ততই যেন বাড়ছে বাঁশের কদর।





