রেল সূত্রের খবর, সিউড়ি থেকে বক্রেশ্বর হয়ে নলা পর্যন্ত নতুন রেললাইনের কাজ শুরু হলে এলাকার আর্থ-সামাজিক চেহারা বদলে যেতে পারে। পাশাপাশি সিউড়ি থেকে প্রান্তিক পর্যন্ত রেলের কাজও দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আশাবাদী রেল কর্তৃপক্ষ। এই খবরে খুশি সিউড়ি ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। তবে নতুন প্রকল্পের ভিড়ে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে খয়রাশোল ও সংলগ্ন ঝাড়খণ্ডের নলা-কুণ্ডহিত ব্লকের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি।
advertisement
আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার সেই গোপন আস্তানা, যেখানে রাত কাটিয়েছিলেন নেতাজি! জন্মজয়ন্তীতে প্রকাশ্যে অজানা ইতিহাস
খয়রাশোল ব্লকের ভীমগড় থেকে পলাস্থলী পর্যন্ত রেল ট্র্যাক এবং স্টেশন থাকলেও অজ্ঞাত কারণে কয়েক দশক ধরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই লাইনে নিয়মিত মালগাড়ি চললেও সাধারণ মানুষের জন্য ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বড়রা গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা শেখ জয়নাল আক্ষেপের সুরে বলেন, “এই রেললাইন ইংরেজ আমলের। আমি নিজেই এই ট্রেনে স্ত্রীকে নিয়ে অণ্ডাল গিয়েছি। গত ২৫-৩০ বছর ধরে এটি বন্ধ। রেলের পাত আজও পাতা রয়েছে, অথচ কেন্দ্রীয় সরকার কেন এই দ্বিচারিতা করছে জানি না।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
খয়রাশোল ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত এলাকা মূলত কৃষি ও শ্রমজীবী মানুষের বাস। এখানে উন্নত চিকিৎসা বা উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই। যাতায়াতের রাস্তার অবস্থাও অত্যন্ত করুণ। দুবরাজপুর বিধানসভার বিধায়ক অনুপ সাহা এই প্রসঙ্গে জানান যে, তিনি রেলমন্ত্রী থেকে শুরু করে ডিআরএম ও জিএম এর কাছে বারবার চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, “এলাকার মানুষের স্বার্থে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতির জন্য এই রেলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, রেল দফতর আগামী দিনে এই লাইনটি চালুর বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা নেবে।”





