TRENDING:

ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে দু-দু'বার নাম...! কোলাঘাটের এই ছোট্ট মেয়েটির প্রতিভায় তাক লাগবে

Last Updated:

Indian Book Of Records: আরাধ্যা পণ্ডিত মাত্র তিন বছর দশ মাস বয়সে দুটি খেতাব জিতেছে। তার প্রতিভা জানলে আপনি অবাক হবেন! কারণ এই বয়সেই একেবারে দুটো বড়মাপের পুরস্কার পেল এই ছোট্ট খুদে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কোলাঘাট: মাত্র তিন বছর দশ মাস বয়সে দুটি খেতাব জিতেছে আরাধ্যা পণ্ডিত। মেয়েটির প্রতিভা জানলে আপনি অবাক হবেন! কারণ এই বয়সেই একেবারে দুটো বড়মাপের পুরস্কার পেল এই ছোট্ট খুদে। এবার নিশ্চয়ই জানতে চান এই খুদে মানুষটি কে?
advertisement

কী বা এমন করল যাতে পেয়ে গেল দু-দুটি বড় মাপের পুরস্কার। এবার আসা যাক আসল গল্পে। এই ছোট্ট বয়সেই ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে দু’বার পুরস্কার জেতা। প্রথমবার পুরস্কার পেয়েছিল দু’বছর আগে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র এক বছর দশ মাস। আর এই বয়সেই তখন পেয়েছিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নিজের নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ। ঠিক ২ বছর পরেই বর্তমান ৩ বছর ১০ মাস বয়সে আবারও ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নিজের নাম নথিভুক্ত করল সেই ছোট্ট আরাধ্যা।

advertisement

আরও পড়ুন: বাবা ‘চট্টোপাধ্যায়’, ছেলে ‘চ্যাটার্জি’…! পদবির ‘মিসম্যাচ’ কেন? পাসপোর্ট, প্যানকার্ড নিয়ে SIR শুনানিতে শোভনদেব পুত্র সায়নদেব!

এখনও স্কুলের গন্ডি ছোঁয়নি,তার আগেই এই বয়সে একাধিক প্রতিভায় নিজেকে বিকশিত করেছে ছোট্ট আরাধ্যা। কবিতা বলা থেকে শুরু করে,পরিবেশ প্রেমী হিসেবে চারাগাছ লাগানো, গাছের পাতা চেনা-সহ একাধিক বিষয়ে নিজেকে মেলে ধরে সম্প্রতি দ্বিতীয়বার ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড এ নিজের পুরস্কার ছিনিয়ে আনল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের বলিশ্বর গ্রামের আরাধ্যা পণ্ডিত।

advertisement

View More

আরও পড়ুন: ছটফট করে ‘সাপ’…! এইসব ‘গন্ধ’ বাড়িতে থাকলে ত্রিসীমানায় ঘেঁষবে না একটাও বিষধর, জানুন সাপ তাড়ানোর মোক্ষম ‘টোটকা’!

আরাধ্যার বাবা সোমনাথ পণ্ডিত পেশায় শিক্ষক, মা অনিমা পণ্ডিত পাঁশকুড়ায় সরকারি হাসপাতালে কর্মরতা। দাদু ঠাকুমার সঙ্গেই বেশি সময় কাটে। তারই মাঝে প্রখর শক্তির ভান্ডার আরাধ্যার। আরাধ্যার বাবা জানিয়েছেন, “যা শুনে যা দেখে মনে রাখার চেষ্টা করে। একবার কিছু বললেই তা নিজে থেকেই আওড়াতে থাকে। এই বয়সেই বিভিন্ন গাছ চিনে যাওয়ার পাশাপাশি একাধিক কবিতা পশুপাখিদের ডাক মনে রাখতে পারে। এমনকি মনে রাখতে পারে বিভিন্ন জীব জন্তুর নাম। তাদের ইংরেজি নামগুলো মনে রাখে। বাড়িতে ফুলফলের চারা নিয়ে এলেই নিজে থেকে গাছ লাগাতে চলে যায়। আমরা ইন্ডিয়ান বুক অফ রেকর্ডস এর আবেদন করেছিলাম। দিল্লিতে ডেকেছিল। কিন্তু ও ছোট হওয়ায় যেতে পারিনি। ডাকযোগে বাড়িতেই এসেছে ইন্ডিয়ান বুক অফ রেকর্ডস এর সার্টিফিকেট মেডেল সহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এ নিয়ে দু’বার ইন্ডিয়ান বুক অফ রেকর্ডস নাম উঠল ওর।”

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
আবর্জনাই আয়ের খনি, ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকেই ভাগ্য বদল! মহিলাদের জন্য সুপারহিট ফর্মুলা
আরও দেখুন

বাবা মা অক্লান্ত পরিশ্রমে মেয়েকে জীবনে সঠিক দিশা দেখানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন একেবারে ছোট থেকেই। আর যার ফলস্বরূপ ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড-এ মাত্র তিন বছর ১০ মাস বয়সেই একেবারে দু’বার পুরস্কার পেল তাদের আদরের আরাধ্যা। তার এই পুরস্কার ঘরে আসার পরেই, রীতিমত উচ্ছ্বসিত পাড়া-সহ গ্রামের মানুষেরা। একে একে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেছে ছোট্ট আরাধ্যাকে। ক্লাবের অনুষ্ঠানেও ডাক পড়েছে আরাধ্যাকে সন্মানিত করার জন্য। আর আরাধ্যার এই কর্মকাণ্ডে রীতিমত গর্বিত ও আপ্লুত তার মা বাবা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে দু-দু'বার নাম...! কোলাঘাটের এই ছোট্ট মেয়েটির প্রতিভায় তাক লাগবে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল