জানা গিয়েছে, পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হতে চেয়েছেন ওই নির্যাতিতার মা। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অভয়ার পরিবার অভিযোগ তুলেছে, তাঁদের মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রকৃত অর্থে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়ায়নি। এই প্রেক্ষিতে উত্তরপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে প্রতিক্রিয়া দেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: অবশেষে প্রার্থী হিরণ! খড়্গপুর হাতছাড়া, কোন কেন্দ্র থেকে অভিনেতাকে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি?
তিনি বলেন, আমরা যেদিন গাড়ি আটকেছিলাম, সেদিন কী জানতাম মেয়েটি কোন দলের সমর্থক! আমরা কী লিখিয়ে নিয়েছিলাম যে তাঁরা সিপিএম করবেন! আর জি করের ওই মেয়ে আমাদের সবার মেয়ে, তিনি একজন ডাক্তার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চিকিৎসক।
প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের পর নির্যাতিতার দেহ দ্রুত সৎকারের উদ্যোগের বিরোধিতা করে শববাহী গাড়ি আটকে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও অন্যান্য বাম নেতা-কর্মীরা। সেই ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: বামেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা! নেই সেলিম, সৃজন, শতরূপ
এদিন মীনাক্ষী আরও বলেন, যদি হাসপাতালের মতো জায়গায় একজন মহিলা চিকিৎসক নিরাপদ না থাকেন, তাহলে রাজ্যের কোনও নারীই নিরাপদ নন। আমাদের আন্দোলন সেই নিরাপত্তার প্রশ্নে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকার তথ্যপ্রমাণ লোপাট করেছে এবং অপরাধের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। একই সঙ্গে বিজেপিকেও কটাক্ষ করে তিনি দাবি করেন, আরএসএস প্রধান অতীতে রাজ্যে এসে শাসক দলের প্রতি নরম মনোভাব দেখিয়েছেন।
অন্যদিকে, নিহত চিকিৎসক তরুণীর মা-বাবা তাঁদের বক্তব্যে অনড়। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের স্বার্থে এই ঘটনাকে ব্যবহার করেছে। ভোটের অঙ্কে প্রভাব ফেলতেই আন্দোলনে নামা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। এই ঘটনাকে ঘিরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।






