শিল্পায়ন প্রসঙ্গে কটাক্ষ ছুঁড়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “হুগলি জেলায় শিল্প কারখানার ধোঁয়া কেউ দেখেননি, একমাত্র একজন ভদ্রমহিলা ছাড়া।” তাঁর দাবি, এই ‘ধোঁয়া’ই আসলে শিল্পোন্নয়নের প্রতীক, যা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। সেই কারণেই পরিবর্তনের প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, “একসময়ের গর্বের হাসপাতালগুলোর অবস্থা এখন চোখে পড়ার মতো খারাপ। মানুষ সব দেখছে, বুঝছে, আর সময়মতো জবাব দেবে।”
advertisement
অন্য দিকে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে গিয়ে মহাভারতের উপমা টানেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। নাম না করে তিনি বলেন, “দেখুন, আমাদের মহাভারতেও তো রয়েছে যে দুর্যোধন-দুঃশাসনের প্রচারে ধৃতরাষ্ট্র বেরিয়েছে। ঠিক আছে। উনি বেরোবেন দুর্যোধন-দুঃশাসনের জন্য নিজের সন্তান তো এটা তো অন্যায় কিছু নেই। তবে উনি কোন রোলটা প্লে করেছেন পুরো হুগলি জেলা ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং উনি ধৃতরাষ্ট্র হয়ে দেখেছেন।”
তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জেলার উন্নয়ন থমকে গেছে এবং নেতৃত্ব ‘অন্ধের মতো’ সব দেখেও না দেখার ভান করেছে।এছাড়াও দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করে ‘৭৫-২৫’ তত্ত্বের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য অধিকার কোথাও যেন হারিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, “মানুষ প্রস্তুত শুধু উত্তরপাড়া নয়, গোটা বাংলা জবাব দিতে তৈরি।”প্রচারের শুরুতেই এভাবে আক্রমণাত্মক সুরে বিরোধীদের কাঠগড়ায় তুলে রাজনৈতিক লড়াই যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি প্রার্থী।





