advertisement

Rama Navami 2026: বাঙালি পোশাকে সজ্জিত রাম-সীতার মূর্তি, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত রাম মন্দিরে ধুমধাম করে রামনবমী

Last Updated:
রামনবমী উপলক্ষে দিনভর বিশেষ পুজো, ভোগ নিবেদন ও নামকীর্তনের আয়োজন করা হয় রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে! এই মন্দিরের বিশেষ আকর্ষণ হল, রাম ও সীতা বাঙালি বেশে সজ্জিত
1/6
নদিয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে অবস্থিত রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন রাম-সীতা মন্দিরে ধুমধাম করে পালিত হল রামনবমী। প্রায় ২৬০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির ঘিরে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
নদিয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে অবস্থিত রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন রাম-সীতা মন্দিরে ধুমধাম করে পালিত হল রামনবমী। প্রায় ২৬০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির ঘিরে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
advertisement
2/6
 এই মন্দিরে রাম ও সীতার মূর্তি বাঙালি পোশাকে সজ্জিত। পুরাতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রথমে কষ্টিপাথরের রামচন্দ্রের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
এই মন্দিরে রাম ও সীতার মূর্তি বাঙালি পোশাকে সজ্জিত। পুরাতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রথমে কষ্টিপাথরের রামচন্দ্রের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
advertisement
3/6
পরবর্তীকালে তাঁর পাশেই অষ্টধাতুর সীতা দেবীর মূর্তি স্থাপন করা হয়। এই তথ্য থেকেই অনুমান করা হয়, প্রথমে এককভাবেই রামচন্দ্রের পুজো শুরু হয়েছিল, পরে সীতা দেবীর প্রতিষ্ঠা ঘটে।
পরবর্তীকালে তাঁর পাশেই অষ্টধাতুর সীতা দেবীর মূর্তি স্থাপন করা হয়। এই তথ্য থেকেই অনুমান করা হয়, প্রথমে এককভাবেই রামচন্দ্রের পুজো শুরু হয়েছিল, পরে সীতা দেবীর প্রতিষ্ঠা ঘটে।
advertisement
4/6
মন্দিরটির আরও একটি বিশেষ দিক হল—রাম ও সীতার মূর্তি থাকলেও লক্ষণের কোনও মূর্তি এখানে নেই। তবে ভগবান রামের পরম ভক্ত হনুমানের মূর্তি প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
মন্দিরটির আরও একটি বিশেষ দিক হল—রাম ও সীতার মূর্তি থাকলেও লক্ষণের কোনও মূর্তি এখানে নেই। তবে ভগবান রামের পরম ভক্ত হনুমানের মূর্তি প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
advertisement
5/6
মন্দিরের পুরোহিত স্বপন কুমার ভট্টাচার্য জানান, লক্ষণের মূর্তি অনুপস্থিত থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ তাদের জানা নেই। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবার প্রায় ১৫০ বছর ধরে এই মন্দিরের সেবায় নিয়োজিত। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, এই সুদর্শন মূর্তির সেবা করতে পেরে।”
মন্দিরের পুরোহিত স্বপন কুমার ভট্টাচার্য জানান, লক্ষণের মূর্তি অনুপস্থিত থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ তাদের জানা নেই। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবার প্রায় ১৫০ বছর ধরে এই মন্দিরের সেবায় নিয়োজিত। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, এই সুদর্শন মূর্তির সেবা করতে পেরে।”
advertisement
6/6
তিনি আরও জানান, রামনবমী উপলক্ষে দিনভর বিশেষ পুজো, ভোগ নিবেদন ও নামকীর্তনের আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের উপস্থিতিতে শিবনিবাসে এদিন এক অনন্য ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, রামনবমী উপলক্ষে দিনভর বিশেষ পুজো, ভোগ নিবেদন ও নামকীর্তনের আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের উপস্থিতিতে শিবনিবাসে এদিন এক অনন্য ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
advertisement
advertisement
advertisement