প্রার্থীর কথায়, “আমরা পাড়ায় বেরিয়ে দেখি এক দিদিভাই রুটি করছেন। গ্যাস পাচ্ছেন না, কাঠের জ্বালে রান্না হচ্ছে। আমিও তো বাড়িতে রুটি বেলি, তাই ইচ্ছে হল, আমিও একটু করি। দিদিভাই খুব খুশি হলেন। তবে একটা কথাই বললেন, গ্যাসের অভাব, দামও বেড়েছে।” শুধু রুটি বেলাই নয়, বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট চাওয়া, প্রবীণদের আশীর্বাদ নেওয়া, সব মিলিয়ে জমজমাট প্রচার চালাচ্ছেন পার্থ হাজারি। গৃহবধূর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যাও, রান্নার গ্যাসের অপ্রাপ্যতা ও মূল্যবৃদ্ধির চাপ।
advertisement
ভোট এলেই প্রতিশ্রুতি, আশ্বাস আর মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার নানা ছবি সামনে আসে। কখনও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তব হয়, আবার কখনও তা থেকে যায় ভবিষ্যতের অপেক্ষায়। তবে পুরশুড়ায় এবার হেঁশেলে ঢুকে রুটি বেলতে বেলতেই ভোট চাওয়ার এই দৃশ্য নিঃসন্দেহে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে নির্বাচনী প্রচারে।রাজনীতির লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকবেন, তা বলবে ফলাফল। কিন্তু মানুষের মন জিততে প্রার্থীরা যে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশল নিচ্ছেন, পুরশুড়ার এই ঘটনাই তার সাম্প্রতিক উদাহরণ।





