ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অধীনস্থ একাধিক কলেজে এআই কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের স্কুলগুলিতেও এআই নিয়ে ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প শুরু হয়েছে। যা আগামী দিনে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর সাইবার প্রতারণা, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি রুখতে এআই কীভাবে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে, তা নিয়েই এদিন এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল।
advertisement
ব্যাঙ্কিং সেক্টরে কেওয়াইসি (KYC) ডকুমেন্ট যাচাই, মানি লন্ডারিং ও অবৈধ লেনদেন সনাক্তকরণ, এআই-এর মাধ্যমে ঋণ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত পরামর্শ, দ্রুত ক্রেডিট স্কোর বিশ্লেষণ ও লোন প্রসেসিং- এই সমস্ত ক্ষেত্রেই এআই কীভাবে কাজ করছে ও ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে, তার রূপরেখা তুলে ধরেন দেশের প্রথম সারির এআই সংস্থা চ্যাম্প ইন্ডিয়া।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কলকাতার একাধিক প্রথম সারির কলেজের সঙ্গে যৌথভাবে তারা পড়ুয়াদের এআই-এর ভাল-মন্দ, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং নৈতিক দিক শেখাচ্ছে। শুধু ব্যাঙ্কিং নয়, রিয়েল এস্টেট সেক্টরেও এআই আগামী দিনে কীভাবে বড় পরিবর্তন আনবে, সেই বিষয়েও ব্যাখ্যা করা হয়। এদিন নিউটাউনে এক এডুকেশন সেমিনারে এআই-এর বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। ব্যাঙ্কিং ও রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ক্যানসার সনাক্তকরণ ও শরীরের বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে এআই কীভাবে সহায়ক হতে পারে, সে বিষয়েও নানা খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরা হয় বিশেষজ্ঞদের তরফে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বন্ধন ব্যাঙ্কের সিইও ও ফাউন্ডার চন্দ্রশেখর ঘোষ-সহ রাজ্যের প্রথম সারির সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এআই হেড ফ্যাকাল্টিরা। উদ্যোক্তাদের কথায়, এআই শিক্ষাকে মূলধারায় আনলে রাজ্যের পড়ুয়ারা ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে আরও আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ হয়ে উঠবে। ফলে মানুষের সুবিধায় এআই আরও সরল করে দেবে জীবনযাত্রা।






