পূর্ব বর্ধমান জেলার আদুরিয়া বিট অফিসের উদ্যোগে শিকার উৎসবের আগে গ্রামবাসীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় একটি সচেতনতা শিবির। মূল বার্তা ছিল, ঐতিহ্য বজায় থাকুক, কিন্তু জঙ্গলের ক্ষতি নয়। শিকার উৎসব পালন করা যাবে, তবে জঙ্গলে ঢুকে বন্যপ্রাণী শিকার নয়। সঙ্গে তুলে ধরা হয় বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব। শনিবার ছিল শিকার উৎসব। সেইদিন বন দফতরের তরফে জঙ্গলের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয় বনকর্মীদের।
advertisement
তবে এবারের শিকার উৎসবের দৃশ্যটা ছিল একেবারেই আলাদা। কেউই জঙ্গলে ঢোকেননি। বরং মাঠে বসেই উৎসব পালন করেন আদিবাসী সমাজের মানুষজন। বন দফতরের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় কয়েকটি মুরগি। বার্তা ছিল স্পষ্ট, “বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা আমাদের সকলের কর্তব্য।” আর সেই বার্তাই হাসিমুখে মেনে নিলেন সকলে। শিকার না করে মুরগি হাতে নিয়েই বাড়ি ফিরলেন গ্রামবাসীরা।
আরও পড়ুনঃ আগুন নেভাতে গিয়ে সর্বনাশ! ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু সিভিক ভলান্টিয়ারের, সামশেরগঞ্জ থানায় শোক
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমাদের শিকার পরব, শিকার করতেই হয়। কিন্তু এবার আমরা জঙ্গলে ঢুকিনি। জঙ্গলের আশপাশ ঘুরে এই মুরগি নিয়েই বাড়ি চলে গেলাম।” আদুরিয়া বিটের বনাধিকারিক পিনাকী ভট্টাচার্য জানান, “আমরা ব্যাপকভাবে সচেতনতা প্রচার চালিয়েছিলাম। বন্যপ্রাণী হত্যা বা শিকার বন্ধ করতে পেরেছি, এটা সত্যিই ভাল লাগার বিষয়।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কয়েকদিন আগেও বন দফতরের উদ্যোগে এলাকায় প্রচার চালানো হয়েছিল। যাতে কেউ জঙ্গলে ঢুকে শিকার না করে। সেই সচেতনতারই সুফল মিলল শিকার উৎসবের দিন। জঙ্গলে শিকার নয়, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, হেদোগরিয়ায় শিকার উৎসব তাই হয়ে উঠল সংরক্ষণের এক অভিনব উদাহরণ।






