TRENDING:

East Medinipur News: গ্রামের মাটি থেকে টিভির পর্দা! তবলার তালে কাঁপিয়েছেন বড় বড় মঞ্চ, উঠতি তবলা বাদকদের অনুপ্রেরণা এগরার কানাইলাল

Last Updated:

East Medinipur News: হার মানাতে পারেনি বার্ধক্য। ষাট পেরিয়েও তবলার তালে মঞ্চ কাঁপান এগরার শিল্পী। পূর্ব মেদিনীপুরের সঙ্গীত জগতের এক অনন্য অনুপ্রেরণা এই প্রবীণ তবলা শিল্পী।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
এগরা, মদন মাইতিঃ মাত্র ৯ বছর বয়স থেকে তবলা বাজানো শুরু। আজ বৃদ্ধ বয়সে এসেও তিনি কাঁপাচ্ছেন বাংলা টেলিভিশনের জগত থেকে রেডিও। এখনও এতটুকু থামেননি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার হোসেনপুর গ্রামের ষাটোর্ধ্ব শিল্পী কানাইলাল দাস। বাবার অনুপ্রেরণায় ছোটবেলায় তবলা বাজান শুরু। ছেলের ইচ্ছে দেখে তবলা কিনে দেন কানাইলালবাবুর বাবা। তারপর গুরু মশাইয়ের কাছে তালিম নেওয়া শুরু।
advertisement

প্রথমে স্থানীয় স্তরে প্রতিভা অর্জন করেন কানাইলালবাবু। এরপর ধীরে ধীরে জেলা ছাড়িয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যান তিনি, বাংলা টেলিভিশন থেকে রেডিও সর্বত্র কাজ করেছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা তবলা বাজাতে পারেন এই প্রবীণ তবলা বাদক। তাঁর হাতের ছোঁয়ায় যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে প্রতিটি তালের ছন্দ।

আরও পড়ুনঃ ধান, পেঁয়াজ, লঙ্কা…! কাটোয়ায় ফসল তোলার মুখে জলের তলায় ৩০০০ বিঘা জমি, সবজি চাষে সর্বনাশের আশঙ্কা চাষিদের

advertisement

ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি গভীর টান ছিল কানাইলাল দাসের। গ্রামের পরিবেশই তাঁর প্রথম মঞ্চ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তবলা বাজিয়ে সকলের নজর কেড়েছিলেন। ধীরে ধীরে আশেপাশের এলাকায় তাঁর প্রতিভার কথা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তাঁকে অনুষ্ঠানে ডাকতে শুরু করেন। সেই সময়ে কোনও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ছিল না। তবুও নিজের চেষ্টা আর অনুশীলনের জোরে তিনি এগিয়ে গিয়েছেন। প্রতিদিন নিয়ম করে রেওয়াজ করতেন। সেই পরিশ্রমই আজ তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।

advertisement

View More

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কানাইলালবাবুর পরিচিতি আরও বাড়তে থাকে। জেলা ছাড়িয়ে রাজ্যের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। বাংলা টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর তবলার সুর শোনা গিয়েছে। আবার রেডিওতেও একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন তিনি। তাঁর বাজনার মধ্যে আলাদা মাধুর্য রয়েছে। শ্রোতারা মন দিয়ে শোনেন তাঁর প্রতিটি পরিবেশনা। অনেক নবীন শিল্পীর কাছে তিনি অনুপ্রেরণা।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
চাঁচলে চাঙ্গা CPIM! দেড় দশক পরে পুরনো কর্মীদের প্রত্যাবর্তন...চাষের জমি থেকে বাজার, প্রচারে ঝড়
আরও দেখুন

সব মিলিয়ে, আজও বয়সকে তুচ্ছ করে তবলার সঙ্গেই দিন কাটান এই তবলা বাদক। শরীর হয়তো আগের মতো সাড়া দেয় না, তবুও মন থেকে একটুও কমেনি আগ্রহ। নতুন প্রজন্মকে তবলা শেখাতেও আগ্রহী কানাইলালবাবু। তাঁর মতে, শেখার কোনও শেষ নেই। যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন তবলার সঙ্গেই থাকতে চান। তাঁর এই অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সঙ্গীতের প্রতি ভালবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়। গ্রামের মাটিতে জন্ম নিয়ে আজ তিনি হয়ে উঠেছেন রাজ্যের সঙ্গীত জগতের এক অনন্য প্রেরণা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Medinipur News: গ্রামের মাটি থেকে টিভির পর্দা! তবলার তালে কাঁপিয়েছেন বড় বড় মঞ্চ, উঠতি তবলা বাদকদের অনুপ্রেরণা এগরার কানাইলাল
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল