পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদার কাছে বারাসতি গ্রামের বাসিন্দা রথীন্দ্রনাথ গোস্বামী পেশায় একজন কীর্তনীয়া। এই গ্রামেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা রথীন্দ্রনাথবাবুর। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে কীর্তন পরিবেশন করে চলেছেন। কীর্তন গানের পাশাপাশি বেদ, পুরাণ, ভাগবত, উপনিষদ সহ নানা শাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। গ্রামের মন্দির সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হরিনাম সংকীর্তন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাঁর কণ্ঠের সুরে মুগ্ধ হয়েছেন অসংখ্য শ্রোতা। এবার সাধনার পথে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও ঈশ্বরভক্তির ফল মিলল!
advertisement
একটি বাংলা টিভি চ্যানেলের রিয়্যালিটি শো-য়ে কীর্তন পরিবেশনের সুযোগ পেয়েছেন রথীন্দ্রনাথ গোস্বামী। গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে টেলিভিশনের পর্দায় তুলে ধরার এই সুযোগ পেয়ে তিনি আবেগাপ্লুত। রথীন্দ্রনাথবাবু বলেন, “আমি শুধু ভগবানের নামকীর্তন করি। এত বড় মঞ্চে সেই সেবার সুযোগ পাওয়া আমার কাছে পরম প্রাপ্তি। এই যাত্রায় সবার আশীর্বাদ চাই।” তাঁর পরিবার, গ্রামবাসী ও ভক্ত মহলে ছিল আনন্দের হাওয়া।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, ছোট্ট বারাসতি গ্রাম আজ গর্বিত— কারণ তাঁদেরই একজন রাজ্যের মঞ্চে নিজের সাধনার সুর ছড়াতে চলেছেন। গ্রামের মাটি থেকে এবার টিভির পর্দায় কীর্তনের সুর নিয়ে আসছেন মেচেদার বারাসতি গ্রামের রথীন্দ্রনাথ গোস্বামী। স্থানীয়দের মতে, এই সাফল্য শুধু একজন শিল্পীর নয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতিরও জয়। রথীন্দ্রনাথবাবুর কীর্তন বাংলার লোকঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে বলেই বিশ্বাস করেন অনেকে। টিভির মঞ্চে তাঁর এগিয়ে যাওয়ার জন্য আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে।





