তাঁদের অভিযোগ তাঁর গ্যাস বুকিং করা হয়। তাঁর কাছে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির ম্যাসেজ এসেছে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকাও ঢোকে। কিন্তু বাড়িতে আসেনি গ্যাসের সিলিন্ডার। অভিযোগ তাঁর গ্যাস অন্য কাউকে কালোবাজারি করে বিক্রি করা হয়েছে। গ্যাস সংস্থার অফিস জানিয়েছে এটা পোর্টালে সমস্যার ফলে হয়েছে। ওই ব্যক্তি যে সঠিক সময় গ্যাস পেয়ে যাবেন, তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর নাম শেখ মুস্তাফা এবং শিব শংকর দাস৷ দু’জনেই এক অভিযোগ জানিয়েছেন৷ তাঁরা দু’জনেই এক সমস্যায় পড়েছেন৷ শেখ মুস্তাফা বাড়ি দুর্গাপুর সিউড়ি এবং শিব শংকর দাস জীবধরপুরের বাসিন্দা৷
advertisement
এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকার হিঙ্গলগঞ্জে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ নিয়ে করে সমস্যার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিয়ম মেনে গ্যাস বুকিং করার পরেও অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে সিলিন্ডার পৌঁছচ্ছে না। ফলে গৃহস্থালি থেকে শুরু করে গ্যাসনির্ভর বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও অসন্তোষ।
এলাকার বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানিয়েছেন, বুকিং করার পর ডেলিভারির বার্তা এলেও বাস্তবে সেই সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা বাপি মণ্ডল জানান, তিনি গত ২০ ফেব্রুয়ারি গ্যাস বুকিং করেছিলেন। বুকিংয়ের পর ডেলিভারি সংক্রান্ত মেসেজ পেলেও এখনও পর্যন্ত তার বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছয় নি। একই অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন আরও বহু গ্রাহক।
সুপ্রতিম দাস
