মঙ্গলবার নদিয়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগণার বেশ কয়েকটি বিধানসভার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ হাবড়ার প্রার্থী প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং অশোকনগরের প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীর সমর্থনে এ দিন হাবড়াতেও একটি জনসভা করেন তিনি৷
সেই সভার শুরুতেই দলের দুই প্রার্থীর সঙ্গে জনতার আনুষ্ঠানিক পরিচয় পর্ব সারেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এর পর মঞ্চে উপস্থিত ওই এলাকায় দলের অন্যান্য নেতাদেরও নাম ধরে ধরে নির্দেশ দিতে শুরু করেন৷ অশোকনগর, গোবরডাঙা পুরসভার বর্তমান এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যানদের একজোট হয়ে কাজ করে দলীয় প্রার্থীদের যতটা সম্ভব বেশি লিড এনে দেওয়ার অনুরোধ করেন তৃণমূলনেত্রী৷
advertisement
তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেয়াল করেন, অশোকনগরের প্রাক্তন বিধায়ক এবং হাবড়া অশোকনগর অঞ্চলের অন্যতম পুরনো নেতা ধীমান রায় মঞ্চে নেই৷ কিছুটা অবাক হয়েই তৃণমূলনেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ধীমানকে দেখতে পাচ্ছি না, কেন আসেনি? এর পরই অশোকনগরের বর্তমান বিধায়ক এবং এবারের প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীর উদ্দেশ্যে তৃণমূলনেত্রীর কড়া নির্দেশ, তুমি ধীমানকে ডাকবে৷ অন্যান্য পুরনোরা সবাই এসেছে৷ নতুন সবাই এসেছে৷ ধীমানের সঙ্গে কথা বলবে৷ তার পরেও যদি না আসতে চায় তাহলে সেটা ওঁর সেন্টিমেন্টের ব্যাপার৷
২০১১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত অশোকনগরের বিধায়ক ছিলেন ধীমান রায়৷ এর পর ২০২১ সালে নারায়ণ গোস্বামীকে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করে দল৷ এর পর থেকেই দলের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছিল অশোকনগরের প্রাক্তন বিধায়কের৷ বর্তমান বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীর সঙ্গেও তাঁর সমীকরণ মেলে না বলেই তৃণমূল সূত্রে দাবি৷ যদিও এ দিন দলনেত্রীর কড়া নির্দেশের পর ধীমান রায়কে সঙ্গে নিয়ে ভোট প্রচারের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন অশোকনগরের প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী৷ প্রাক্তন বিধায়ক ধীমান রায়ও জানিয়েছেন, ‘দলনেত্রীর নির্দেশই আমার কাছে শিরোধার্য৷’
