পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন বিজেপির লোকসভা সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা। তিনি বলেন, ”লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, এতে স্পষ্ট হয় অতীতে কীভাবে সরকার গঠিত হয়েছে। এটি একটি স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রক্রিয়া। আগেও, আগের সরকারের সময়েও এসআইআর হয়েছে—এতে নতুন কিছু নেই। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন কষ্ট পাচ্ছেন? বাংলার মানুষ সবই দেখছেন। সেই কারণেই এবার তাঁরা বিজেপি সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
advertisement
আরও পড়ুন: উত্তরে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ মালদহ-কোচবিহারে! সবচেয়ে কম নাম বাদ জলপাইগুড়ি আর কোন জেলায়?
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তাঁর দাবি, ”এখানে সরকার গঠনে বিজেপি আত্মবিশ্বাসী। রাজ্যের মেয়েদের উপর অন্যায় এবং রাতের ডিউটিতে থাকা চিকিৎসকদের দুর্দশা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি।” তিনি আরও বলেন, ”কালিঘাট মন্দির-এ বাংলার মেয়েদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেমন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন: বৈধ ভোটার থেকে নাম বাদের দলে? আশ্বাস-হাতিয়ার মমতা-অভিষেকের বার্তা, কী হচ্ছে ডায়মন্ড হারবারে?
এদিন কঙ্গনার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পরনে হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি, সঙ্গে চওড়া কমলা পাড় এবং গলায় মানানসই ভারী গয়না। একেবারে আভিজাত্যপূর্ণ সাজে মন্দিরে আসেন তিনি। মা কালীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পাশাপাশি নকুলেশ্বর ভৈরব মন্দিরেও পুজো দেন অভিনেত্রী। কঙ্গনা বরাবরই নিজেকে ‘শক্তির উপাসক’ বলে দাবি করেন, আর এদিনও তাঁর কথায় সেই ভক্তির সুরই ধরা পড়ে।
