কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেও ছিল আত্মবিশ্বাস। প্রতিটি রাউন্ডে ছিল টানটান লড়াই। শেষ পর্যন্ত সোনার পদক জিতে নেয় দুই বোন। কাঁথির নাম উজ্জ্বল করে তারা ফিরেছে বাড়িতে। মন্দিরা রানার বয়স মাত্র ১৪ বছর। সে কাঁথি ব্রহ্ম গার্লস স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলায় আগ্রহ ছিল তার। অন্যদিকে জয়ত্রি রানার বয়স মাত্র পাঁচ বছর। সে কাঁথির একটি বেসরকারি স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। এত কম বয়সে তার আত্মবিশ্বাস সকলকে অবাক করেছে।
advertisement
বড় বোনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেও দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। গত দু’বছর ধরে কাঁথির একটি বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তারা ক্যারাটে শেখে। বাবা জয়শংকর রানা অনুপ্রেরণায় শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। প্রথমে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই ভর্তি করা হয়। ধীরে ধীরে তাদের দক্ষতা বাড়তে থাকে। নিয়মিত অনুশীলন আর কঠোর পরিশ্রমই তাদের শক্তি। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তারা অংশ নিয়েছে। কলকাতার প্রতিযোগিতাতেও নিজেদের প্রমাণ করেছে তারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সেখানে বিচারকদেরও নজর কেড়েছে তাদের পারফরম্যান্স। দুই বোনের প্রশিক্ষক শেখ আকবর (গোপাল) বলেন, “এই দুই মেয়ের মধ্যে অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক দিশা পেলে তারা দেশের সেরা হতে পারবে। বর্তমানে তাদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ক্যারাটে আজকের দিনে মেয়েদের আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”কাঁথির এই দুই কন্যা এখন জেলার গর্ব। রাজ্যসেরা হওয়ার পর তাদের লক্ষ্য আরও বড়। ভবিষ্যতে রাজ্যের হয়ে জাতীয় মঞ্চে লড়াই করতে চায় তারা।





