পর্যটনের উপরেই সুন্দরনের গোসাবা, বাসন্তীর বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নির্ভরশীল। দেশ-বিদেশের নানা এলাকা থেকে পর্যটকেরা সারা বছর সুন্দরবন ভ্রমণে আসেন। বাসন্তী, গোসাবা, ঝড়খালি, পাখিরালয়, কৈখালী এলাকার হোটেল, হোম-স্টে-তে তাঁরা থাকেন।
আরও পড়ুনঃ মানবিকতা একেই বলে! দেখিয়ে দিল হিঙ্গলগঞ্জ থানা, ভিনরাজ্যের দুই ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে তুলে দিল পুলিশ
advertisement
শীত বিদায় নিলেও সুন্দরবনের এখনও পর্যটন মরসুম চলছে। এই পরিস্থিতি রান্নার গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পর্যটন ব্যবসায়ী বলেন, চলতি মাসে প্রচুর বুকিং রয়েছে, কিন্তু কীভাবে পর্যটকদের জন্য রান্না হবে তা বুঝতে পারছি না। গ্যাসের দাম বাড়ল, কিন্তু তারপরেও চাহিদা মতো মিলছে না। গ্যাস না পাওয়া গেলে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মূলত যে কোনও লঞ্চ বা ভুটভুটি ভ্রমণের সময় পর্যটকদের খাওয়াদাওয়ার জন্যই গ্যাস একমাত্র রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের জোগান নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি সুন্দরবনের পর্যটন ব্যবসায়ী সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।




