পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলার দিকে বসানচক পূর্ব পল্লী এলাকায় নিজের বাড়ির পাশে একটি গাছের ডাল কাটতে যায় সুমন। সেই সময় কোনওভাবে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে চলে আসে সুমন। মুহূর্তের মধ্যে অচৈতন্য হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হলদিয়া মহকুমা হাসপাতলে নিয়ে যায়। মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসকেরা কিছুক্ষণ পর সুমনকে মৃত ঘোষণা করে। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আর সেই পরীক্ষার আগেই অঘটনের কারণে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
advertisement
সামনেই পরীক্ষা তাই পরীক্ষার্থীরা সবাই পড়াশোনায় ব্যস্ত। সুমনের পরিবার থেকে জানা গিয়েছে সুমনও পরীক্ষা নিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকত। পড়াশোনার মাঝেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা হতভম্ব তার সহপাঠী ও শিক্ষকরা। স্কুলের এক শিক্ষক জানিয়েছেন, “সামনেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। এমন সময় সুমনের মৃত্যু আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না। ও খুব মনোযোগী ছাত্র ছিল। এদিন বিকেলে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মৃতদেহ ইতিমধ্যেই হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এদিকে খবর পেয়ে সুমনের বাবা ভিনরাজ্য থেকে রওনা দিয়েছেন। তাঁর বাড়ি ফেরার পরেই ছেলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। পরীক্ষার মুখে এমন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সুমনের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষক মহলে।






