পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তিন অভিযুক্তের নাম সোল্লা বিবি, রহিমউদ্দিন গাজি এবং এমডি খইরুল। এর মধ্যে একজন মহিলাও রয়েছেন। সূত্রের খবর, ঝরনা পৈলান দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি বাবার বাড়িতেই থাকতেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করতেন মুম্বইয়ে। কয়েকদিন আগেই অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। এরপরই তাঁকে দিঘায় বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রস্তাবেই তিনি দিঘায় বেড়াতে আসেন।
advertisement
দিঘার একটি হোটেলে অচৈতন্য অবস্থায় ঝরনা পৈলানকে পড়ে থাকতে দেখেন হোটেলের কর্মীরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
মৃতার পরিবারের অভিযোগ, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়। ঝরনাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। মৃতার দাদা সৌমেন কুইল্লা স্পষ্ট বলেন, “আমার বোনকে পূর্ব পরিকল্পনা করেই হত্যা করা হয়েছে। আমরা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিবারের দাবি, ঘটনার পিছনে আরও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। দিঘা থানার আইসি জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর আসল কারণ পরিষ্কার হবে। রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ।






