সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আগ্রহীরা সরাসরি অফিসে গিয়েই যোগাযোগ করতে পারবেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা শহরকে কেন্দ্র করে বহু বছর ধরে কাজ করছে এই নাট্যসংস্থা। শুধু নাটক মঞ্চস্থ করাই নয়, নতুন শিল্পী তৈরিই তাদের প্রধান লক্ষ্য। অভিনয়ের মৌলিক শিক্ষা থেকে শুরু করে মঞ্চে আত্মবিশ্বাস তৈরি—সব ক্ষেত্রেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত রিহার্সাল, পাঠাভ্যাস এবং দলগত আলোচনার মাধ্যমে শিল্পচর্চা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক তরুণ-তরুণী এখান থেকেই নাটকের জগতে নিজেদের পথ খুঁজে পেয়েছেন। অনেকেই জেলার বাইরে গিয়েও সাফল্য অর্জন করেছেন। শিল্পচর্চার মাধ্যমে সমাজের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য।
advertisement
আরও পড়ুন: এবার কিচেন সেটে দোল খেলা! জলপাইগুড়ির বাজারে হিট ‘হাতা-খুন্তি’ পিচকারি, দাম সাধ্যের মধ্যেই
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক সচেতনতার নাটক মঞ্চস্থ করছে তারা। কখনও নারী পাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠেছে নাটকের ভাষায়। আবার কখনও পণপ্রথা বা সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মঞ্চ। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য। সংস্কৃতি যে সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে, সেই বিশ্বাস নিয়েই কাজ করছে তারা। তাই শুধু বিনোদন নয়, নাটক এখানে সামাজিক দায়বদ্ধতারও এক বড় অংশ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
১৯৭৭ সালে পথচলা শুরু। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে বাংলার নানা প্রান্তে মঞ্চনাটক করে চলেছে এই সংস্থা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের নাটক দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার তারা অর্ধশতবর্ষ উদযাপনের পথে। আগামী ১৯ মে থেকে শুরু হবে বিশেষ উৎসবের সূচনা। ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নানা কর্মসূচি। নাট্য উৎসব, কর্মশালা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নতুন শিল্পীদের অংশগ্রহণ থাকবে সেখানে। নাটকের আলো আরও দূরে ছড়িয়ে দেওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।





