তারই প্রতিবাদে রবিবার রানীগঞ্জের এইচপি ডিস্ট্রিবিউটার কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখাল গ্রাহকরা। তাদের আরও অভিযোগ মোবাইলে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির ম্যাসেজ এল তাহলে গ্যাস সিলিন্ডারটা গেল কোথায়। তাদের দাবি যাদের ডেলিভারির ম্যাসেজ এসেছে অবিলম্বে তাদেরকে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হোক।
advertisement
সিলিন্ডার বুকিংয়ের এর পর ডেলিভারি ম্যাসেজ ও ভর্তুকির টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে৷ কিন্তু বাড়িতে এখনও এসে পৌঁছল না গ্যাসের সিলিন্ডার৷ এই অভিযোগ উঠেছে বীরভূমেও৷ এই বিষয়ে বীরভূমের সিউড়ীর রবীন্দ্রপল্লীর একটি গ্যাস কোম্পানির অফিসে অভিযোগ জানিয়েছেন বীরভূমের সিউড়ীর দুর্গাপুরের ও জীবধরপুর গ্রামের ২ বাসিন্দা।
তাঁদের অভিযোগ তাঁর গ্যাস বুকিং করা হয়। তাঁর কাছে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির ম্যাসেজ এসেছে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকাও ঢোকে। কিন্তু বাড়িতে আসেনি গ্যাসের সিলিন্ডার। অভিযোগ তাঁর গ্যাস অন্য কাউকে কালোবাজারি করে বিক্রি করা হয়েছে। গ্যাস সংস্থার অফিস জানিয়েছে এটা পোর্টালে সমস্যার ফলে হয়েছে। ওই ব্যক্তি যে সঠিক সময় গ্যাস পেয়ে যাবেন, তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর নাম শেখ মুস্তাফা এবং শিব শংকর দাস৷ দু’জনেই এক অভিযোগ জানিয়েছেন৷ তাঁরা দু’জনেই এক সমস্যায় পড়েছেন৷ শেখ মুস্তাফা বাড়ি দুর্গাপুর সিউড়ি এবং শিব শংকর দাস জীবধরপুরের বাসিন্দা৷
