পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি আদি বইমেলার উদ্বোধনের পর থেকেই এই মেলা বইপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এ বছর মেলা পদার্পণ করল ২৪’তম বর্ষে। শহরের রাও রিক্রেয়েশন ক্লাব প্রাঙ্গনে বসেছে এই বইমেলা। প্রায় ৩৮টি স্টলে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা ও বই বিক্রেতা তাঁদের সেরা সংগ্রহ সাজিয়ে রেখেছেন।
advertisement
গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, জীবনী, বিজ্ঞানচর্চা, ইতিহাস, শিশু সাহিত্য থেকে রান্নার বই – সবই মিলছে এক ছাদের নিচে। প্রতিটি স্টলেই বইয়ের রঙিন প্রচ্ছদ। যেন পাঠকদের হাতছানি দিচ্ছে। অনেকেই পরিবার নিয়ে এসে সময় কাটাচ্ছেন বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি মেলায় আলাদা প্রাণ এনে দিয়েছে। পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি গল্প ও অনুপ্রেরণামূলক বই কিনতেও দেখা যাচ্ছে তাঁদের। সাধারণ পাঠকরাও ভিড় জমাচ্ছেন সমান উৎসাহে।
কাঁথি আদি বই মেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত। সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইভা মাইতি জানান, “দশ দিন ধরে বইয়ের সঙ্গে সংস্কৃতিরও মিলন ঘটবে এখানে। প্রতিদিন থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনা, কুইজ, আবৃত্তি, নাচ ও সঙ্গীতানুষ্ঠান। উদ্বোধনের দিন থেকেই দর্শকদের ভিড় সেই আয়োজনের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু বই বিক্রি নয়, কাঁথির মানুষের জন্য একটি সুন্দর সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। প্রতিদিন আলাদা থিমে অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে, যাতে সব বয়সের মানুষ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।
মেলা প্রাঙ্গনে সন্ধ্যা নামলেই শুরু হচ্ছে নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নানা প্রতিযোগিতা। স্কুলের পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ দর্শকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন আনন্দঘন পরিবেশে। ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ছাড়ে মিলছে বই। কোনও কোনও বই আবার হাফ দামে মিলছে। বইয়ের গন্ধ, আলো ঝলমলে স্টল আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রঙিন আবহ তৈরি হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণে।





