কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল জানান, যক্ষ্মা রোধে নিয়মিত প্রচার চালানো হচ্ছে এবং আক্রান্তদের ওষুধ নিয়ম মেনে খাওয়ার বিষয়ে নজরদারি রাখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া ও দাঁইহাট শহর এবং কাটোয়া ১ ও ২ ব্লকের প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার বাসিন্দাকে নিয়ে তৈরি করা সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা যায়, ২০২৫ সালে কাটোয়া ১ ব্লকে ৩৯৫ জন এবং কাটোয়া ২ ব্লকে ১৪২ জনের শরীরে যক্ষ্মার জীবাণু ধরা পড়েছে। গত বছরে মহকুমা হাসপাতালে ১৭৩ জন নতুন রোগী চিহ্নিত হন।
advertisement
কাটোয়া শহরের বাগানেপাড়া, জামাইপাড়া, কেশিয়া, হাজরাপুর কলোনী, মণ্ডলপাড়া ও কাটোয়া পাড়া এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এই এলাকাগুলি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে স্বাস্থ্যকর্মীদের ধারণা। পাশাপাশি মদ্যপান, ধূমপান ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অনুযায়ী যেখানে দেশে যক্ষ্মার প্রকোপ ২১ শতাংশ কমেছে এবং চিকিৎসার আওতায় রোগী সংখ্যা বেড়েছে, সেখানে কাটোয়ায় নতুন সংক্রমণ বৃদ্ধিই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, সচেতনতা বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রেই দারিদ্র্য ও জীবনযাত্রার কারণে সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ছে। যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে আসার ফলেও অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।






