জেলা মুখ্য স্বাস্থ্যাধিকারিক জয়রাম হেমব্রম জানিয়েছেন, ” বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের যে হাউস স্টাফ রোগীর ক্লোজ কন্ট্যাক্টে ছিলেন, তাঁকে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত যে ৮০ জনের স্যাম্পেল পাঠানো হয়েছিল তার মধ্যে ১৮ জনের রিপোর্ট ইতিমধ্যেই চলে এসেছে। এই ১৮ জনের মধ্যে ১৪ জন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের, ৪ জন কাটোয়া হাসপাতালের। প্রত্যেকেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এটা স্বস্তির কারণ।”
advertisement
তিনি জানান, প্রথম দিন ৪৮ জন, দ্বিতীয় দিন ৮২ জন ছিলেন হোম কোয়েন্টাইনে। এখনও পর্যন্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ১০৩ জনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককেই হোম কোয়েন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত,মুখ্য স্বাস্থ্যাধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও তাঁরা নিশ্চিত নন কীভাবে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে খেজুর রস কাঁচা না খাওয়াই ভাল। তিনি আরও জানান, নিপা কোভিডের মতো অতটা সংক্রামক নয়, তবে কোভিডের থেকে বেশি ভয়ঙ্কর। এই পরিস্থিতি আতঙ্ক বাড়ানোর পরিস্থিতি নয়। তবে এ’ব্যাপারে সচেতনতা দরকার। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আসা প্রত্যেককে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা ইতিমধ্যেই মাস্ক ব্যবহার শুরু করেছেন।






