স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২ জানুয়ারি অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে যান ওই তরুণী নার্স। চিকিৎসক জানান, ওই দিন তরুণী সংজ্ঞা হারানোর মতো উপসর্গের কথা বললেও জ্বর, শরীর ব্যথা কিংবা অন্য কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ তাঁর চোখে পড়েনি। তাই সেদিন বিষয়টি গুরুতর বলে মনে হয়নি বলেই জানান তিনি। এরপর ৩ জানুয়ারি ফের তরুণী অচৈতন্য হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
advertisement
সেখানে চিকিৎসকেরা তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় পরিবারের তরফে তাঁকে পরে বারাসাতের নারায়ণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বারাসাত নারায়ণ হাসপাতালে পরীক্ষার পরই জানা যায়, ওই তরুণী নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত। আক্রান্ত তরুণী পেশায় একজন নার্স এবং বারাসাত নারায়ণ হাসপাতালেই কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকের একটি গ্রামে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ৩১ ডিসেম্বর তিনি চাকরির পরীক্ষা দিতে গুসকরা শহরে গিয়েছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যদিও কাটোয়া শহরে তাঁর একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, তবুও তিনি গ্রামের বাড়িতেই গিয়েছিলেন বলে খবর। সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। সূত্রের খবর, আক্রান্ত নার্সের গ্রামের বাড়ি সংলগ্ন এলাকা স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে স্যানিটাইজ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। অযথা কাউকে বাড়িতে প্রবেশ না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।






