পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের নবাবহাট এলাকায় অবস্থিত ১০৮ শিব মন্দির এবং অন্যটি কালনা শহরে অবস্থিত। দুটি শিব মন্দিরই তৈরী রাজ আমলে। ১৭৮৮ থেকে ৯০ সালের মাধ্যে রাজা তেজচাঁদের মাতা মহারানী বিষণকুমারী প্রতিষ্টা করেন বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির এবং ১৮০৯ সালে তেজচাঁদের হাতে প্রতিষ্ঠিত কালনার ১০৮ শিব মন্দির।কথিত আছে,একসময় নবাবহাট এলাকায় মহামারী দেখা দিয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল বহু মানুষের।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানে’ ১০ গ্রাম ‘সোনার’ দাম কত জানেন…? ‘উত্তর’ শুনলেই চমকাবেন, শিওর!
এই সময় গ্রামের উপর এসে পড়ে আরও এক বিপদ। বিষণকুমারীর সঙ্গে গোলযোগ বাঁধে ইংরেজদের। রানী ছিলেন শিব ভক্ত আর মহাদেবের আশীর্বাদেই নাকি কেটে গেছিল সব বিপদ। তাই নবাবহাট এলাকায় তিনি তৈরি করেন এই মন্দির। এই মন্দিরের নাম ১০৮ মন্দির হলেও বর্ধমানের রয়েছে মোট ১০৯ টি মন্দির।আর ড্রোন শট নিলে বোঝা যাবে এই মন্দিরগুলি পর পর রয়েছে রুদ্রাক্ষের মালার আদলে।কেন ১০৯টি মন্দির থাকা সত্ত্বেও ১০৮টি মন্দিরই বলা হয়,সেটা জানা যায়নি। পোড়ামাটির কাজ আর আটচালা শৈলীর এই মন্দিরগুলি বর্ধমানের রাজকীয় ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।এই মন্দিরগুলি একইসঙ্গে রাজকীয় বৈভব এবং আধ্যাত্মিক চেতনার এক বিরল মেলবন্ধন।
সময়ের চাকা ঘুরেছে বহুদূর, রাজার রাজত্ব আর নেই, বদলেছে সমাজব্যবস্থাও। বদলায়নি এই প্রাচীন মন্দিরগুলোর মাহাত্ম্য,আজও বহু ভক্ত আসেন এই মন্দিরে পুজো দিতে। পাশাপাশি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা এই স্থাপত্যগুলি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
সায়নী সরকার





