পূর্ব বর্ধমান জেলার দেওয়ানদিঘী এলাকার বাসিন্দা শেখ মুকুল। পেশায় ডেন্টাল টেকনিশিয়ান হলেও তাঁর নেশা এখন সবুজের সেবা। কলেজে পড়ার সময় থেকে একটি একটি করে গাছের ডাল সংগ্রহ করতেন তিনি। সেই গাছের ডাল থেকেই চারা তৈরি করে গড়ে তুলেছেন আস্ত একটি ছাদ বাগান। তাঁর বাগানে ১৪ ফুটের বোগেনভেলিয়া সহ প্রায় ৭০০টিরও বেশি গাছ রয়েছে। সারাদিনের ক্লান্তির পর অবসর সময়ে নানা গাছে বসা পখিদের কলরব শুনে শান্তি পান তিনি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ট্রাফিক আইন মেনেও ঘটল ভয়ানক বিপদ! শান্তিপুরে লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা আরেক লরির, গুরুতর আহত চালক
শেখ মুকুল জানান, দিন দিন বাড়ছে দৃশ্য দূষণ। তার থেকে মুক্তি পেতেই এই ছাদ বাগান তৈরির উদ্যোগ। এই ছাদ বাগানে গেলে দেখা যায় নানা ফুল ও ফলের গাছ। তবে বিশেষভাবে নজর কেড়ে নেয় ১৪ ফুটের বোগেনভেলিয়া। এছাড়াও রয়েছে প্রায় ৭০০টি নানা প্রজাতির গাছ।
শেখ মুকুল বলেন, আমি কলেজে পড়ার সময় থেকেই এইভাবে গাছ লাগাচ্ছি। তবে ছাত্রজীবনে তেমন সময় হত না। কিন্ত বিগত ৮-৯ বছর ধরে আমি পুরোপুরিভাবে এই কাজ করছি। অনেক মানুষ তাঁদের বাড়ির গাছের উদ্বৃত্ত ডাল ফেলে দেন। রাস্তার ধার থেকে আমি সেই ডালগুলিকে নিয়ে এসে চারা তৈরি করে গাছ লাগাই। আবার আমার চেনা অনেকে গাছের ডাল কুরিয়ার করে পাঠান। দিন দিন দূষণ বাড়ছে, মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন অধিকাংশ মানুষ। সেই যন্ত্রণা দূর করতে গেলে গাছের প্রয়োজন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত মানসিক যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে মানুষ। সেই কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে একমাত্র প্রকৃতি। তাই সব মিলিয়ে, ক্রমবর্ধমান দূষণ ও ইট-কাঠের জঙ্গলে ঘেরা এই সময়ে শেখ মুকুলের এই ছাদ বাগান যেন এক টুকরো অক্সিজেন ব্যাঙ্ক।





