হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল জানান, এতদিন মাত্র ৬টি বেড থাকায় অনেক সময় মুমুর্ষ রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করতে হত। কিন্তু কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ওপর পূর্ব বর্ধমান ছাড়াও নদীয়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার একাংশ নির্ভরশীল হওয়ায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। ফলে বেডের সংখ্যা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছিল। এখন শয্যা সংখ্যা বেড়ে ১৮ হওয়ায় আরও বেশি সংখ্যক রোগী এইচডিইউ-তে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে এইচডিইউ ইউনিট চালু হয়।
advertisement
এই ইউনিটে দিবারাত্র চিকিৎসক পরিষেবা, সেন্ট্রাল অক্সিজেন ও ভেন্টিলেশনের সুবিধা রয়েছে। মুমুর্ষ রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা হয় এখানে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ইউনিটে আরও শয্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করতে সম্প্রতি ১০ জন নতুন রেসিডেন্সিয়াল চিকিৎসক যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৫৪ জন চিকিৎসক রয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি এখন থেকে প্রতি বুধবার ও শনিবার আউটডোরে গাইনোকোলজি ও মেডিসিন বিভাগে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে। হাসপাতালে মোট ২৮৬টি শয্যার অনুমোদন থাকলেও জায়গার অভাবে বর্তমানে ২৫৬টি বেড রয়েছে। তবুও রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এইচডিইউ ইউনিটের শয্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুমুর্ষ রোগীদের চিকিৎসায় বড় স্বস্তি মিলবে বলে মনে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এইচডিইউ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পরিষেবা আরও উন্নত হওয়ায় সাধারণ মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হবেন।






