দোকানের অন্যতম কর্ণধার সাঞ্জনা শেরপা একসময় দার্জিলিঙে এই বিশেষ মোমো তৈরি করে বিক্রি করতেন। পাহাড়ের সেই খাঁটি স্বাদ অক্ষুণ্ণ রেখেই এখন মালদহবাসীর রসনাতৃপ্তির দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। বর্তমানে মালদহ শহরের হায়দারপুর এলাকার বাসিন্দা সাঞ্জনা, বিয়ের পর গত তিন বছর ধরে রয়েছেন মালদহে। জেলাবাসীর পাহাড়ি স্বাদের চাহিদা পূরণে শহরে ইতিমধ্যেই গড়ে তুলেছেন দু’টি দোকান।
advertisement
দার্জিলিং স্টাইলের মোমো মালদহে
সাঞ্জনা শেরপা জানান, “প্রায় দেড় বছর ধরে এই দোকান চলছে। স্বাদের পাশাপাশি দামও সাধ্যের মধ্যেই রেখেছি। একেবারে পাহাড়ি কায়দায় সুস্বাদু মোমো তৈরি করি। সন্ধ্যা নামলেই খাদ্যরসিকদের ব্যাপক ভিড় জমে।”
এক খাদ্যরসিক ক্রেতা রিয়া বিশ্বাস বলেন, “প্রায়ই এই দোকানে মোমো খেতে আসি। অন্যান্য মোমোর তুলনায় একেবারে আলাদা স্বাদ। পাহাড়ে গিয়ে যে সুস্বাদু মোমো খেয়েছিলাম, তারই স্বাদ পাই এখানে। নতুনত্বের পাশাপাশি দামও সাধ্যমত।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মালদহ শহরের স্টেশন রোড সংলগ্ন কানির মোড় এলাকায় অবস্থিত এই বিশেষ পাহাড়ি মোমোর দোকান। পাহাড় বা দার্জিলিং ভ্রমণে যেতে না পারলেও, এই দোকান যেন মালদহবাসীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে পাহাড়ি খাবারের আসল স্বাদ। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও খাদ্যরসিকরা ছুটে আসছেন এই স্বাদ উপভোগ করতে।





