আগে যেখানে সাধারণ স্লেটেই কাজ চলত, সেখানে এখন নিজের পছন্দমতো রং, থিম ও ডিজাইনে স্লেট বানিয়ে নিচ্ছে পড়ুয়ারা। কারও স্লেটে আঁকা হচ্ছে বই-খাতা, কারও আবার বীণা হাতে মা সরস্বতীর প্রতীকী ছবি। নাম লেখা বা ছোট্ট মজার কোট যোগ করায় এই স্লেট এখন আর শুধু পুজোর অনুষঙ্গ নয়, বরং ব্যক্তিগত স্টাইল স্টেটমেন্ট হয়ে উঠছে।
advertisement
ব্যবসায়ীদের কথায়, কাস্টমাইজ স্লেটের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। মূলত ক্লে দিয়ে মা সরস্বতীর মুখ, হাঁস, বীণা, বই তৈরি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পেপার ওয়ার্ক, কলকা আর্ট ও লাল-হলুদ সহ বিভিন্ন রঙের ব্যবহার স্লেটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। পাশাপাশি কুচির পাড় দেওয়ায় স্লেটের সাজে আসছে ঐতিহ্যবাহী ছোঁয়া।
বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এই কাস্টমাইজ স্লেটের চাহিদা বেশি। অনেকেই সরস্বতী পুজোর জন্য শাড়ি কিনে সেই শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে স্লেটের পাড় ও ডিজাইন করাচ্ছে। লাল পাড়ের সাদা শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং স্লেটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী হওয়ায় অভিভাবকরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অভিনব এই স্লেটের দাম প্রায় ২০০ টাকা থেকে শুরু।
শিলিগুড়ির বিশিষ্ট শিল্পী দীপিকা ভৌমিক বিগত কয়েক বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি জানান, এই বছর বাজারের সাড়া আলাদা। তাঁর কথায়, “এবার পড়ুয়ারা শুধু স্লেট কিনছে না, নিজের ভাবনা আর পছন্দও সেখানে ফুটিয়ে তুলতে চাইছে। সেই কারণেই কাস্টমাইজ কাজের অর্ডার অনেক বেড়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি আরও বলেন, “সরস্বতী পুজো উপলক্ষে এখন শাড়ি, পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে সবকিছুতেই কাস্টমাইজের ট্রেন্ড চলছে। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে স্লেটের ক্ষেত্রেও। গত কয়েক বছরের তুলনায় এই বছর কাজের পরিমাণ ও বাজার— দু’টোই বেশ ভালো যাচ্ছে।” সব মিলিয়ে, সরস্বতী পুজোর আগে শিলিগুড়িতে কাস্টমাইজ স্লেট এখন নতুন ট্রেন্ডের কেন্দ্রবিন্দু।





