advertisement

Watch Tower: বর্ধমানবাসীর জন্য বড় উপহার, নতুন রূপে ফিরছে রমনাবাগানের ওয়াচ টাওয়ার! 

Last Updated:
Watch Tower: বর্ধমানবাসীদের জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই খুলতে চলেছে রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্ক এর ওয়াচ টাওয়ার! দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ থাকা এই টাওয়ার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বনদফতর। ইতিমধ্যেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো।
1/5
বর্ধমানবাসীদের জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই খুলতে চলেছে রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্ক এর ওয়াচ টাওয়ার! দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ থাকা এই টাওয়ার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বনদফতর। ইতিমধ্যেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো। টাওয়ারটি চালু হলে দর্শনার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
বর্ধমানবাসীদের জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই খুলতে চলেছে রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্ক এর ওয়াচ টাওয়ার! দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ থাকা এই টাওয়ার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বনদফতর। ইতিমধ্যেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো। টাওয়ারটি চালু হলে দর্শনার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
2/5
বর্ধমান শহরের মধ্যেই প্রায় ১৪-১৫ হেক্টর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্কটি প্রকৃতি ও প্রাণীবৈচিত্র্যের এক অনন্য ঠিকানা। বর্ধমান রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় খুব সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। স্টেশন থেকে টোটো বা টাউন সার্ভিস বাসে কয়েক মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল নিয়েও আসা যায়, রয়েছে যথাযথ পার্কিং ব্যবস্থাও।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
বর্ধমান শহরের মধ্যেই প্রায় ১৪-১৫ হেক্টর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্কটি প্রকৃতি ও প্রাণীবৈচিত্র্যের এক অনন্য ঠিকানা। বর্ধমান রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় খুব সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। স্টেশন থেকে টোটো বা টাউন সার্ভিস বাসে কয়েক মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল নিয়েও আসা যায়, রয়েছে যথাযথ পার্কিং ব্যবস্থাও।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
3/5
বৃহস্পতিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্ক। প্রবেশের আগে কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকতে হয়। ভেতরে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীদের সামনে ধরা দেয় চিতা বাঘ, হরিণ, ময়ূর, ভাল্লুক, কুমিরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি। পরিবার-পরিজন নিয়ে অবসর কাটানোর জন্য এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
বৃহস্পতিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্ক। প্রবেশের আগে কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকতে হয়। ভেতরে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীদের সামনে ধরা দেয় চিতা বাঘ, হরিণ, ময়ূর, ভাল্লুক, কুমিরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি। পরিবার-পরিজন নিয়ে অবসর কাটানোর জন্য এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
4/5
তবে পার্কের অন্যতম আকর্ষণ ওয়াচ টাওয়ারটি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে। টাওয়ারটির অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন হওয়ায় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সেটি খোলা হয়নি। কর্তৃপক্ষের মতে, প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে টাওয়ার খুলে দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই সবদিক বিবেচনা করেই পুনরায় চালুর প্রস্তুতি চলছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
তবে পার্কের অন্যতম আকর্ষণ ওয়াচ টাওয়ারটি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে। টাওয়ারটির অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন হওয়ায় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সেটি খোলা হয়নি। কর্তৃপক্ষের মতে, প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে টাওয়ার খুলে দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই সবদিক বিবেচনা করেই পুনরায় চালুর প্রস্তুতি চলছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
5/5
অন্যদিকে, পার্কে ঘুরতে আসা পর্যটকদের দাবি, ওয়াচ টাওয়ার খুলে দিলে পুরো রমনাবাগান এলাকার মনোরম দৃশ্য এক নজরে উপভোগ করা যাবে। পূর্ব বর্ধমান জেলার বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা জানিয়েছেন,
অন্যদিকে, পার্কে ঘুরতে আসা পর্যটকদের দাবি, ওয়াচ টাওয়ার খুলে দিলে পুরো রমনাবাগান এলাকার মনোরম দৃশ্য এক নজরে উপভোগ করা যাবে। পূর্ব বর্ধমান জেলার বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা জানিয়েছেন, "সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং অতি শীঘ্রই কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"সব কিছু ঠিক থাকলে খুব তাড়াতাড়িই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে যাবে বহু প্রতীক্ষিত ওয়াচ টাওয়ার।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
advertisement
advertisement