ধৃতদের বুধবার পেশ করা হয় মালদহ জেলা আদালতে। জানা গিয়েছে, মণিপুর থেকে আকাশ পথে ব্রাউন সুগার তৈরির কাঁচামাল আসত কলকাতা এয়ারপোর্টে। এরপর কলকাতা থেকে সরাসরি সড়ক পথ হয়ে মালদহে তৈরি হত ব্রাউন সুগার। তৈরির পর আবার রেল পথ ধরে দিল্লি এরপর দিল্লি থেকে বিমানে গোয়া। এভাবেই মাদক কারবারের আন্তঃরাজ্য পাচার চক্র চলত। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানায়, সড়কপথে তল্লাশি ফাঁকি দিয়ে বিশেষ ধরনের কন্টেনারে জামাকাপড় ও শুকনো খাবারের সঙ্গে ব্রাউন সুগার তৈরির কাঁচামাল আসত মালদহে।
advertisement
এরপর এখান থেকে রেলপথে দিল্লি, পরে সেখান থেকে বিমানে করে গোয়ায় পাচার হত ব্রাউন সুগার। পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে, ইম্ফল বিমানবন্দর হয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে আসত ব্রাউন সুগার তৈরির কাঁচামাল। কলকাতা বিমানবন্দরের বাইরে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা মালদহে নিয়ে আসত। দীর্ঘদিন ধরে চলত এই মাদক পাচারের কারবার। ঘটনায় প্রথমে দুই যুবক সোহেল আক্তার ওরফে ডালিম এবং বেনারুল শেখ ওরফে সুরজকেকে গ্রেফতার করা হয়।
এরপর তদন্তে উঠে আসে এই চক্রের আসল রহস্য। ঘটনায় গোয়া পুলিশের সাহায্যে গ্রেফতার হয় চার যুবক। গোয়ায় ধৃত চারজনকে ট্রান্সজিট রিমান্ডে আনা হয় মালদহে। বুধবার পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে ধৃতদের পেশ করা হয়েছে আদালতে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।






