advertisement

Bankura to Nabadwip Bus Service: বাঁকুড়া থেকে মায়াপুর ভ্রমণ এখন আরও সহজ! বর্ধমান হয়ে সরাসরি নবদ্বীপ, কম খরচে যাত্রার সেরা উপায়, দেখে নিন বাসের সম্পূর্ণ সময়সূচি

Last Updated:
Bankura to Nabadwip Bus Service: বাঁকুড়া থেকে মায়াপুরের ইসকন বা নবদ্বীপ ভ্রমণ এখন আরও সহজ। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত একাধিক বাস নিয়মিত যাতায়াত করছে। দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে ৬-৭ ঘণ্টার এই বাস পরিষেবা পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী
1/6
বাঁকুড়া থেকে নবদ্বীপ যেতে চান? দেখতে চান মায়াপুরের ইসকন? যদি মায়াপুরের মায়াবী দর্শন পেতে চান তাহলে আপনাকে জেনে নিয়ে হবে, বাসের সময়সূচী। নবদ্বীপ থেকে বাঁকুড়ার বাস পরিষেবা গত কয়েক বছর ধরেই নিয়মিত হয়েছে, যেটি স্থানীয় যাত্রীদের পাশাপাশি পর্যটক ও তীর্থ প্রেমীদের জন্য খুব ভাল খবর।বাসগুলো প্রধানত বর্ধমান (নবাবহাট) হয়ে চলে এবং ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অনেকগুলো বাসের পরিষেবা পাওয়া যা। সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা।
বাঁকুড়া থেকে নবদ্বীপ যেতে চান? দেখতে চান মায়াপুরের ইসকন? যদি মায়াপুরের মায়াবী দর্শন পেতে চান তাহলে আপনাকে জেনে নিয়ে হবে, বাসের সময়সূচী। নবদ্বীপ থেকে বাঁকুড়ার বাস পরিষেবা গত কয়েক বছর ধরেই নিয়মিত হয়েছে, যেটি স্থানীয় যাত্রীদের পাশাপাশি পর্যটক ও তীর্থ প্রেমীদের জন্য খুব ভাল খবর। বাসগুলো প্রধানত বর্ধমান (নারাবহাট) হয়ে চলে এবং ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অনেকগুলো বাসের পরিষেবা পাওয়া যা। সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা
advertisement
2/6
রুট ও সময়ের দিক থেকে অন্যতম জনপ্রিয় বাস “DULHAN (দুলহান)” ভোর ৪:১০টায় বাঁকুড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রা শুরু করে, দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে প্রায় সকাল ১০টায় নবদ্বীপ পৌঁছায়। রুটে বেলিয়াতোড়, বড়জোড়া, দুর্গাপুর স্টেশন, মুচিপাড়া, পানাগড়, বুদবুদ ও গলসি সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় দাঁড়িয়ে এই বাস যাত্রী তোলে।
রুট ও সময়ের দিক থেকে অন্যতম জনপ্রিয় বাস “DULHAN (দুলহান)” সকাল ভোর ৪:১০টায় বাঁকুড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রা শুরু করে, দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে প্রায় সকাল ১০টায় নবদ্বীপ পৌঁছায়। রুটে বেলিয়াতোড়, বড়জোড়া, দুর্গাপুর স্টেশন, মুচিপাড়া, পানাগড়, বুদবুদ ও গলসি সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় দাঁড়িয়ে এই বাস যাত্রী তোলে।
advertisement
3/6
এছাড়া সকালেই “SWEETY (সুইটি)” নামে আরেকটি বাস থাকে, যা প্রায় ৯:১৫–৯:৪০ টায় বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে দুপুরের দিকেই নবদ্বীপ পৌঁছায়; এর আনুমানিক পৌঁছানোর সময় বিকেল প্রায় ২:৪৫–৪:০০ পর্যন্ত থাকে, রুট ধরে একইভাবে দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে যায়।
এছাড়া সকালেই “SWEETY (সুইটি)” নামে আরেকটি বাস থাকে, যা প্রায় ৯:১৫–৯:৪০ টায় বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে দুপুরের দিকেই নবদ্বীপ পৌঁছায়; এর আনুমানিক পৌঁছানোর সময় বিকেল প্রায় ২:৪৫–৪:০০ পর্যন্ত থাকে, রুট ধরে একইভাবে দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে যায়।
advertisement
4/6
পৌঁছানোর পরে মন্দির, নদীর পাড়ে অবস্থিত বিভিন্ন আশ্রম বা নবদ্বীপের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যাত্রীদের জন্য স্থানীয় পরিবহন ও রিকশা-ট্যাক্সির থাকে। সাধারণভাবে এই বাসগুলো দিনভর ভাঙ্গা রুটে চলে, ফলে সকালে ছাড়া বাস থেকে সন্ধ্যা নাগাদ পুনরায় বাঁকুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা সম্ভব হয়।
পৌঁছানোর পরে মন্দির, নদীর পাড়ে অবস্থিত বিভিন্ন আশ্রম বা নবদ্বীপের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যাত্রীদের জন্য স্থানীয় পরিবহন ও রিকশা-ট্যাক্সি সুবিধা সহজলভ্য থাকে। সাধারণভাবে এই বাসগুলো দিনভর ভাঙ্গা রুটে চলে, ফলে সকালে ছাড়া বাস থেকে সন্ধ্যা নাগাদ পুনরায় বাঁকুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা সম্ভব হয়। ছবিও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
5/6
নবদ্বীপ থেকে বাঁকুড়া ফেরার জন্যও “SWEETY” সহ একাধিক বাস প্রতিদিন চলাচল করে। ভোরের দিকেই প্রথম বাস, প্রায় ২:৫০–৩:০০টার মধ্যে, নবদ্বীপ থেকে ছাড়ে। বাসগুলো বর্ধমান ও দুর্গাপুর হয়ে সন্ধ্যার দিকে বাঁকুড়ায় পৌঁছে যায়। দিনভর আরও বিভিন্ন সময়ে ফেরার বাস পাওয়া যায় বলে জানান প্রায়শই যাতায়াত করা ব্যক্তি অমলরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়।
নবদ্বীপ থেকে বাঁকুড়া ফেরার জন্যও “SWEETY” সহ একাধিক বাস প্রতিদিন চলাচল করে। ভোরের দিকেই প্রথম বাস, প্রায় ২:৫০–৩:০০টার মধ্যে, নবদ্বীপ থেকে ছাড়ে। বাসগুলো বর্ধমান ও দুর্গাপুর হয়ে সন্ধ্যার দিকে বাঁকুড়ায় পৌঁছে যায়। দিনভর আরও বিভিন্ন সময়ে ফেরার বাস পাওয়া যায় বলে জানান প্রায়শই যাতায়াত করা ব্যক্তি অমলরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
6/6
এই বাসগুলোর সময় ও রুট সুবিধাজনক হওয়ায় বাঁকুড়া–নবদ্বীপ যাত্রীদের কাছে এগুলো খুব জনপ্রিয়। বিশেষ করে যারা কম খরচে সরাসরি বাসে ধর্মীয় ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত কাজে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এই পরিষেবা খুবই কাজে লাগে।
এই বাসগুলোর সময় ও রুট সুবিধাজনক হওয়ায় বাঁকুড়া–নবদ্বীপ যাত্রীদের কাছে এগুলো খুব জনপ্রিয়। বিশেষ করে যারা কম খরচে সরাসরি বাসে ধর্মীয় ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত কাজে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এই পরিষেবা খুবই কাজে লাগে।
advertisement
advertisement
advertisement