বৈঠক শেষে বেরিয় জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ ইনচার্জ, গুলাম আহমেদ মীর জানান, বাংলায় বিধানসভা ভোটে একাই লড়বে কংগ্রেস৷ সিপিএমের সঙ্গে এবার তারা জোট করবে না৷ বলেন, ‘‘কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কমিটির নেতাদের বৈঠক ছিল৷ বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের বিষয়ে রণনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়৷ সবাই সবার কথা বলেন৷ আলোচনা হওয়ার পরে স্থির হয় পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ২৯৪ আসনের প্রত্যেকটিতে একা লড়বে৷ সেই লক্ষ্যেই আমরা প্রস্তুতি নেব৷’’
advertisement
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি, জাতীয় কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি এবং পশ্চিমবঙ্গের ইন-চার্জ শ্রী গুলাম আহমেদ মীর, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার৷ ছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও৷ ছিলেন সাংসদ ইশা খান চৌধুরী এবং অন্যান্য প্রবীণ নেতারা৷
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে একাই লড়তে চাইছিলেন বাংলার কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা৷ তাঁদের সেই আবেগকে মান্যতা দেওয়ায় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস৷
কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘‘আমরা বলেছি বিজেপি, তৃণমূল বিরোধী সমস্ত শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হবে। কংগ্রেস অর নো কংগ্রেস। নয়া ফ্যাসিবাদী আক্রমণ হচ্ছে। কংগ্রেস ঠিক করবে তাদের অবস্থান কী হবে।’’
একুশের নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ একসঙ্গে লড়ে একটাও আসন জিততে পারেনি কংগ্রেস৷ পারেনি বামও৷ ভাঙড় থেকে একটি মাত্র আসন পেয়েছিলেন আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকি৷ পরে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থেকে উপ নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে একটি আসন পেলেও পরে দল বলদে তৃণমূলে চলে যান বায়রন বিশ্বাস৷ এবার একা লড়ে রাজ্য রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ফের নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা ফিরিয়ে আনতে পারে কি না, সেদিকে নজর থাকবে সকলের৷
