উল্লেখ্য, আগামী ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি হবে কুম্ভমেলা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সাধু-সন্তরা আসবেন। তাদের জন্য আখাড়া তৈরি হবে। ত্রিবেনী শিবপুর মাঠে চলবে সাধুনাম। গঙ্গার ঘাটে হবে আরতি। বহু মানুষের সমাগম হবে তিনদিন। শেষ দিন হবে পূন্যস্নান। তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণ থেকে নিরাপত্তা সব দিকে নজর রাখতে সরকারি দফতরগুলি আগে থেকে সবরকম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছে। জেলা প্রশাসন এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক সেরেছে।
advertisement
বঙ্গীয় ত্রিবেণী কুম্ভ পরিচালন সমিতির সভাপতি প্রবীর ভট্টাচার্য বলেছেন, মাঘ মাসের সংক্রান্তির দিন হবে কুম্ভস্নান। যেটা আমরা বলি অমৃত যুগস্নান। স্নানকে কেন্দ্র করেই উৎসব তার আগে দু’দিন ধরে চলে। ১১ তারিখ শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে গীতাযজ্ঞ হবে। ১২ তারিখ রুদ্রাভিষেক যজ্ঞ এবং মহাদেবের সহস্রনাম হবে। পাশাপাশি আরআর ক্যাম্পে সাধুদের আখড়ায় ৫২ টি পীঠের কল্পনা করে ধুনী জ্বালাবেন।
আরও পড়ুন: ছেলের নিথর দেহ দেখেই থমকে গেল মায়ের পৃথিবী, হাসপাতাল থেকে ফিরেই চরম সিদ্ধান্ত! কাঁদছে গোটা পাড়া
১৩ তারিখ স্নান। তার আগে সাধুদের রাজসিক যাত্রা হবে। সেই যাত্রার সমাপ্তি হবে সপ্তর্ষি ঘাটে। প্রথম এক ঘণ্টা সাধুদের স্নান হবে। তারপর পূন্যার্থীরা স্নান করবেন। কীর্তন, গীতা পাঠ, সাধুদের ভান্ডারা আয়োজন থাকবে। গঙ্গা যমুনা-সরস্বতীর যে সঙ্গম, সেখানে স্নান করলে পাপক্ষয় হয় বলে মানুষের বিশ্বাস। তাই ভিড় করেন হাজার হাজার পূণ্যার্থী। তাঁদের সহযোগিতায় আগে থেকে সব প্রস্তুতি সেরে রাখছে প্রশাসন।
