তিনি স্কুলের স্ট্রং রুমে এক গ্রুপ সি কর্মীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেন। এরপরই তাঁকে বেদম মারধর করে শিক্ষকরা সেই ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। বর্তমানে ওই স্কুল পরিদর্শক বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশ্যালিটি উইং অনাময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
advertisement
জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন স্কুল পরিদর্শক প্রশান্ত কবিরাজের স্ত্রী অনামিকা কবিরাজ। স্বামীর জীবন জীবিকা রক্ষার আবেদন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, আমার স্বামী প্রশান্ত করিরা পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের অধীন জামালপুর পূর্ব চক্রোর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক।
তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার ইন চার্জ এর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আঝাপুর হাই স্কুলের মধ্যে মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক-সহ বেশ করেকজন সহকারী শিক্ষক ও গ্রুপ ডি কর্মচারী মিলে আমার স্বামীর শরীরের নানা স্থানে বুকে, পিঠে, মাথায় চোখে চড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মারে। বর্তমানে তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের (অনাময়) ট্রমা ইউনিটে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন। আমার স্বামীকে অচৈতন্য অবস্হায় দেখে আমি মানসিক দিক দিয়ে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পরেছি। আপনার কাছে প্রার্থনা আইনানুগ ভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আমার স্বামীর জীবন ও জীবিকা রক্ষা করুন।
