নাম ঘোষণার পরই এদিন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় নেমে পড়লেন প্রচারে। জনসংযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইস্যুতে খোলামেলা বক্তব্য রাখতে শোনা যায় তাঁকে। চাকরিতে দুর্নীতি থেকে শুরু করে মন্দির-মসজিদের রাজনীতি সব বিষয়েই সরব হন সিপিএম প্রার্থী।
রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর একটি মন্তব্যকে ঘিরে। দীপ্সিতা ধর বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস যদি সত্যিই সঠিকভাবে উন্নয়ন করে থাকে এবং এলাকার মানুষ যদি সেই উন্নয়নে সন্তুষ্ট থাকেন, তা হলে মানুষ তৃণমূলকে ভোট দিতে পারেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
advertisement
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বালি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন দীপ্সিতা ধর। পাশাপাশি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও তিনি পরাজয়ের মুখ দেখেন। এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএমের তরফে তাঁকেই প্রার্থী করা হয়েছে দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে।
এই কেন্দ্রে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ফলে এই কেন্দ্রে রাজনৈতিক লড়াই যে জমজমাট হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।নিজের লড়াই নিয়ে দীপ্সিতা বলেন, লড়াই শুরু হল আজ থেকেই। হার-জিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মানুষ আগামী ৪ মে।
আরও পড়ুন- ‘এক ফোঁটা জায়গা দেব না’, প্রার্থীপদ পেয়েই মাঠে নেমে চ্যালেঞ্জ মীনাক্ষীর! বামেদের নজরে উত্তরপাড়া
তিনি আরও বলেন, একসময় উত্তর দমদম ছিল বামেদের শক্ত ঘাঁটি এবং সংগঠনও ছিল মজবুত। অতীতে এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন তন্ময় ভট্টাচার্য। এবার ২০২৬ সালে সেই কেন্দ্রে বামেদের মুখ হিসেবে লড়াই করছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত এলাকার মানুষ কাকে বেছে নেন, সেটাই এখন দেখার।





