TRENDING:

গণ ইস্তফার পথে হাঁটলেন গলসি এবং খণ্ডঘোষ বিধানসভার বিএলওরা! কী দাবি তাদের?

Last Updated:

West Bengal news: এবার গণ ইস্তফা দিতে চাইলেন বিএলওরা। তাঁরা আর এসআইআরের কাজ করতে চান না, এই কাজে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হোক বলে জানিয়ে দিলেন শতাধিক বিএলও। কেন এমন দাবি তাঁদের?

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পূর্ব বর্ধমান: এবার গণ ইস্তফা দিতে চাইলেন বিএলওরা। তাঁরা আর এসআইআরের কাজ করতে চান না, এই কাজে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হোক বলে জানিয়ে দিলেন শতাধিক বিএলও। কোথায় ঘটল এমন ঘটনা? কেন এমন দাবি তাঁদের?
News18
News18
advertisement

এসআইআর-এর নামে অযথা হয়রানি ও হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে গণ ইস্তফার পথে হাঁটলেন গলসি ও খন্ডঘোষ বিধানসভার বিএলওদের একাংশ। মাইক বেঁধে স্লোগান দিয়ে গলসি ২ নং ব্লক অফিসে গণ ইস্তফা দিতে হাজির হন ওই বিএলও-রা। তাঁদের দাবি, আগামী কয়েক দিনে আরও কয়েকশো বিএলও ইস্তফা দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছেন।

advertisement

আরও পড়ুন: SIR প্রক্রিয়ায় ফের সময়সীমা বাড়াল কমিশন! অভিযোগ জমা এবং নিষ্পত্তি করা যাবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত

গণ ইস্তফা দিতে আসা বিএলও-দের অভিযোগ, কোনও রকমের নিয়মের তোয়াক্কা না করেই অবৈজ্ঞানিকভাবে এক প্রকার জোর করে তাঁদের কাজ করানো হচ্ছে। বহু বৈধ ভোটারদের অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হওয়ায় তাঁরাও সাধারণ মানুষদের মাধ্যমে হেনস্থার সম্মুখীন হচ্ছেন, কেউ কেউ আক্রান্তও হচ্ছেন। তারই প্রতিবাদে এই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত। এদিন গলসি দুই বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

advertisement

আরও পড়ুন: কোহলির ODI র‍্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে ওঠা নিয়ে বিরাট ভুল করল আইসিসি! শুধরে নিতেই মুকুটে নতুন পালক

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পুরনো পদ্ধতিতে সোনা ফলবে মাঠে, ভাগ্য খুলে যাবে চাষিদের! সীমান্তের কৃষি মেলায় নয়া দিশা
আরও দেখুন

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিএলওরা বলেন, “স্কুলের নানান কাজ থাকা সত্ত্বেও সেসব সামলে আমরা হাসিমুখেই বিএলওর দায়িত্ব নিয়েছিলাম। বাড়ি বাড়ি এমুনারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়েছি। সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। আপলোড করেছি। তারপর আবার বাড়তি তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেসব জমা দেওয়ার পর খসড়া তালিকা প্রকাশ হল। এরপরও হাজার হাজার ভোটারকে শুনানিতে ডাকার নামে হয়রান করা হচ্ছে। সেই সব নোটিশ পাঠাতে গিয়ে আমাদের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মারধরের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রান্তিক এলাকায় এমন অনেক মানুষ আছেন যারা বংশ পরম্পরায় এখানে বসবাস করছেন, কিন্তু তাঁদের কাছে নথী নেই। এর ফলে তাঁরা চিন্তিত হয়ে পড়ছেন। সেই চিন্তা থেকেই তাঁরা মেজাজ হারিয়ে ফেলছেন। নির্বাচন কমিশনের একের পর এক ফরমাইশ পালন করা আমাদের পক্ষে আর সম্ভব হয়ে উঠছে না। তাই আমরা চাইছি আমাদের এবার এই কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক”।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
গণ ইস্তফার পথে হাঁটলেন গলসি এবং খণ্ডঘোষ বিধানসভার বিএলওরা! কী দাবি তাদের?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল