স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার প্রতিবেশী যুবক শেখ হাসমতের বেশ কিছু হাঁস আচমকাই শেখ রমজানের ধানক্ষেতে ঢুকে পড়ে। হাঁসগুলি বেশ কিছু ধান নষ্ট করে ফেলে। নিজের শ্রমের ফসলের এই ক্ষতি দেখে প্রতিবাদ জানান রমজান ও তাঁর পরিবার। সামান্য এই কথা কাটাকাটি মুহূর্তের মধ্যেই বড়সড় বচসায় রূপ নেয়। অভিযোগ, বচসা চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসমতের পরিবারের সদস্যরা চড়াও হন রমজানের ওপর। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
advertisement
আরও পড়ুন: গঙ্গা দূষণ রুখতে বিরাট পরিকল্পনা, এই প্রকল্পের হাত ধরে আমূল বদলে যাবে নদীর রূপ! জল শোধনে কড়া নজর
গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। এক মুঠো ধানের মায়া আর প্রতিবেশীর জেদ এই দু’ইয়ের বলি হতে হল এক প্রাণবন্ত মানুষকে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ তদন্তে নামে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার মূল অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ শেখ আলমগীর ও শেখ জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে। ধৃত আলমগীর মূল অভিযুক্ত হাসমতের পিসেমশাই বলে জানা গিয়েছে। ইলামবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস ঘটনায় আরও কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূল অভিযুক্ত হাসমত সহ বাকিরা বর্তমানে পলাতক। তাদের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশি টহলদারিও বাড়ানো হয়েছে।






