দশম শ্রেণির ছাত্র দিব্যজ্যোতি গোস্বামী জানায়, ‘রণজয় স্যার আমাদের খুব প্রিয়। এই বছর আমাদের মাধ্যমিক, এই সময় স্যারের মতো একজন দক্ষ শিক্ষক চলে গেলে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা চাই সরকার এই বদলি বাতিল করে স্যারকে এখানেই রাখার ব্যবস্থা করুক।’ বিক্ষোভে শামিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্র প্রেম পাল অভিযোগ করে যে, স্কুলে এমনিতেই শিক্ষকের অভাব রয়েছে। প্রায়ই কোনও না কোনও ক্লাস ফাঁকা যায়। তার কথায়, ‘রণজয় স্যার না থাকলে আমরা অঙ্ক কিছুই বুঝতে পারব না। একজন শিক্ষক কমে যাওয়া মানে স্কুলের পড়াশোনার মান আরও পড়ে যাওয়া।’
advertisement
এই বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহ-শিক্ষকদের দ্বারস্থ হয়েছিল ছাত্ররা। বাংলার শিক্ষক মুজিবুর রহমান জানান, সরকারি স্কুলে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং তা সরকারি নির্দেশেই হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘রণজয়বাবু এই স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন। তিনি তিনবার কলেজে অধ্যাপনার সুযোগ পেলেও স্কুলের টানে যাননি। তাঁর প্রতি ছাত্রদের এই আবেগ স্বাভাবিক। তবে এটি সরকারি অর্ডার, তাই আমাদের করার কিছু নেই।’
যদিও স্কুল সূত্রে খবর, রণজয় রায়ের জায়গায় অন্য একজন অঙ্কের শিক্ষক জয়েন করবেন। এমনকি স্কুলের শূন্যপদ পূরণে আরও একজন অতিরিক্ত অঙ্ক শিক্ষক আসার কথা রয়েছে। তবে ছাত্রদের দাবি, অঙ্ক বোঝার ক্ষেত্রে রণজয় স্যারের যে সাবলীল পদ্ধতি এবং ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর যে আত্মিক টান, তা অন্য কেউ পূরণ করতে পারবে না।






