স্থানীয় বিধায়ক শ্রীরুপা মিত্র চৌধুরীর উদ্যোগে ‘বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন পরিকল্পনা’ (BEUP) প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এই উদ্যোগে সহযোগিতা করবে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স, ইস্টার্ন রেলওয়ের মালদহ ডিভিশন এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠন। এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হল মালদহের শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। এর অংশ হিসেবে মোহাদিপুর গৌড়ীয় হাই স্কুল এবং আকুরমনি করোনেশন ইনস্টিটিউশনে অত্যাধুনিক স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরি করা হবে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স ও আইওটি (IoT) প্রযুক্তির মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তির সাহায্যে গণিত ও জীবনবিজ্ঞানের মত বিষয় সহজভাবে শেখান হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে আধুনিক STEM ল্যাবও তৈরি করা হবে।
advertisement
আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক সুমন চক্রবর্তী জানান, উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। খুব শিগগিরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানান হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স এবং আইওটি (IoT) প্রযুক্তির হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়া হবে জেলার মানুষকে।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পড়ুয়াদের উৎসাহ বাড়াতে আধুনিক ল্যাবরেটরি তৈরি হবে।বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী জানিয়েছেন, খুব দ্রুত এই প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। এর ফলে মালদহ জেলা প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এক নতুন মডেল হিসেবে উঠে আসবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু শিক্ষা নয়, জননিরাপত্তা ও পরিবেশের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পে। মালদহর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সৌরবিদ্যুৎচালিত আলো বসান হবে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কিছু নির্দিষ্ট এলাকা, রেলের পার্ক ও জলাভূমি এবং জনসাধারণের ব্যবহৃত বিভিন্ন স্থানে এই আলো লাগান হবে। এছাড়াও ইংলিশবাজারের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় এবং বিরসা মুন্ডা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে সৌর আলো বসান হবে, যাতে সন্ধ্যার পরেও মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারেন।






