এর পরবর্তী সময়ে ১৯২৩ সালে শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব শুরু হয়। তবে এই বছর বিগত বেশ কয়েক বছরের মতন দোলের দিন বসন্ত উৎসব পালন করবে না বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর পরিবর্তে আগামী ৬ই মার্চ বিশ্বভারতী চত্বরে নিজেদের মধ্যেই বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে কোনও বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে এই বসন্তকালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোলপুর শান্তিনিকেতন এক অন্যরূপ ধারণ করে। চারিধারে সুন্দর সুন্দর গাছগাছালি পলাশ কৃষ্ণচূড়া ফুলের সমারহ বাতাসে হালকা মৃদু শীতল হাওয়া। গাছের পাতার ফাক দিয়ে উঁকি দেবে সূর্য মামা। এক কথায় বসন্তের শান্তিনিকেতন। এই বসন্তের শান্তিনিকেতনকে একসময় নিজের থেকেও বেশি ভালবাসতেন কবিগুরু স্বয়ং নিজে।
advertisement
আর এই শান্তিনিকেতনই রয়েছে এক ফুলবাড়ি। এই বাড়ির চারিধারে রয়েছে নানান ধরনের ফুলের সমারহ। প্রায় একশোরও বেশি ফুল গাছ রয়েছে এই ফুলবাড়িতে। আপনি এই বসন্তে বোলপুর শান্তিনিকেতন এলে সেখান থেকে একবার ঘুরে আসতে পারেন। এছাড়াও সোনাঝুরির হাট যাওয়ার রাস্তার দুই ধারে দেখতে পাবেন বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ। শুধুই কী তাই! শ্যামবাটি মোড় রাস্তা থেকে শুরু করে বোলপুর শহরের আনাচে-কানাচে আপনি বিভিন্ন গাছের ফুলের সুগন্ধ অনুভব করতে পারবেন।
শুধুই কি বোলপুর শান্তিনিকেতনের আনাচে-কানাচে একদমই না। কোপাই নদীর ধার থেকে শুরু করে প্রান্তিক স্টেশন সংলগ্ন এলাকা সর্বত্রই পলাশ ফুলের সমারোহ জানান দিচ্ছে বসন্ত এসে গেছে। তাই আপনিও এই বসন্তে বসন্ত উৎসবের আমেজ অনুভব করতে অবশ্যই আসতে পারেন কবিগুরুর প্রাণের শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন।





