এই বিদ্যালয় আজ জেলার কাছে শিক্ষা, পরিবেশ ও সচেতনতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। বিদ্যালয়ের আওতায় থাকা প্রায় ২৬-২৭ বিঘা জমি একসময় ছিল সম্পূর্ণ অবহেলিত, কেউ ঘুরেও দেখেনি সেই জমির দিকে। এলাকাটি সম্পূর্ণ আবর্জনায় পরিপূর্ণ থাকতো, মৃত পশুপাখি ও আবর্জনা ফেলা থেকে শুরু করে নির্জনতার সুযোগ নিয়ে চলছে সমাজবিরোধী কাজও।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ফালাকাটায় রাত হলে দেখা মিলছে চারপেয়ে ছায়ামূর্তির! শোনা যাচ্ছে গর্জন, লেপার্ড আতঙ্কে কাঁটা শহর
এরপর বদলায় সেই চিত্র। ২০২২ সালে স্কুলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার দাস। তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরেই এই জমিকে দখলমুক্ত করে বিদ্যালয়ের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। যেমন চিন্তা ঠিক তেমনই কাজ। প্রথমে ছোট পরিসরে ভুট্টা ও সূর্যমুখী চাষ এবং একটি কিচেন গার্ডেন তৈরি করা হয়।
সেই সাফল্যের পর ধাপে ধাপে প্রায় ১০ থেকে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠে একটি সুবিশাল জৈব সারের বাগান। বর্তমানে এখানে প্রায় ১৮৫ প্রজাতির ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষ হচ্ছে, সম্পূর্ণভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই। এই বাগান আজ ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটি জীবন্ত শিক্ষাকেন্দ্র।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পড়াশোনার পাশাপাশি তারা প্রকৃতি, কৃষি ও পরিবেশ সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা পাচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারাও আন্তরিকতার সঙ্গে এই কাজে যুক্ত রয়েছেন। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ দেখতে এখন স্থানীয় মানুষও ভিড় জমাচ্ছেন। তবে পরিকাঠামোর জন্য সরকারি সহায়তা পেলে এই সবুজ উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়িত হবে বলেই আশা স্কুল কর্তৃপক্ষের।





